গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

দুঃসময়ে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার ৩ উপায়

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:২০ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০৮:৫৪ এএম ২০২৬
দুঃসময়ে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার ৩ উপায়
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বিপদ-আপদ, দুঃখ-কষ্ট মানুষের জীবনেরই অংশ। ইসলামের দৃষ্টিতে এসব পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ, আল্লাহর ওপর ভরসা এবং তার কাছে সাহায্য চাওয়া একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিপদের সময় কীভাবে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা যায়, সে বিষয়ে কোরআন-হাদিসে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা রয়েছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন নবীরা। এরপর যারা তাদের নিকটতম। মানুষের দ্বীনের দৃঢ়তা অনুযায়ী তার পরীক্ষা হয়। দ্বীন যত দৃঢ়, পরীক্ষা তত কঠিন হতে পারে। এভাবে বান্দা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে থাকে, একসময় তার গুনাহ মাফ হয়ে যায়। (তিরমিজি)

দুঃসময়ে একজন মুমিনের করণীয় সম্পর্কে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—

আল্লাহর দিকে ফিরে আসা

দুঃখ-কষ্ট মানুষকে অনেক সময় হতাশ করে ফেলে। সবকিছু অর্থহীন মনে হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা উচিত। কারণ বিপদ থেকে উদ্ধার করার প্রকৃত ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর।

পবিত্র কোরআনে সমুদ্রে বিপদে পড়া মানুষের উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, যখন বিশাল ঢেউ তাদের ওপর আছড়ে পড়ে এবং তারা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন তারা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকতে থাকে। আল্লাহ তাদের নিরাপদে স্থলে পৌঁছে দেন। (সূরা লুকমান, আয়াত ৩১-৩২)

অর্থাৎ বিপদের সময় মানুষের উচিত নিজের অসহায়ত্ব উপলব্ধি করে আল্লাহর ওপর নির্ভর করা এবং তাঁর সাহায্য চাওয়া।

আল্লাহর কাছে দোয়া করা

আল্লাহর ওপর ভরসা করার পাশাপাশি বিপদ থেকে মুক্তির জন্য নিয়মিত দোয়া করা উচিত। দোয়া বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সম্পর্ক আরো গভীর করে এবং কঠিন সময়ে অন্তরে প্রশান্তি এনে দেয়।

কোরআন ও হাদিসে দোয়া কবুলের বিভিন্ন বিশেষ সময়ের কথা বলা হয়েছে। আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময় এবং রাতের শেষ তৃতীয়াংশ দোয়ার জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ সময়। তাই এসব সময়ে নিজের প্রয়োজন ও বিপদ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করা উচিত।

আল্লাহর জিকির করা

দুঃসময়ে আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। জিকির মানুষের অন্তরকে প্রশান্ত করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফলতা অর্জন করতে পার।’ (সূরা আনফাল, আয়াত ৪৫)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘জেনে রাখ, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।’ (সূরা রাদ, আয়াত ২৮)

তাই জীবনে যত কঠিন সময়ই আসুক, হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ, আল্লাহর ওপর ভরসা, দোয়া ও জিকিরের মাধ্যমে তার সাহায্য চাওয়া উচিত। পাশাপাশি বিপদ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় বাস্তব ও মানবিক উদ্যোগও গ্রহণ করতে হবে।

এসি/আপ্র/২৪/০৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

দয়াল নবীর (সা.) অনিন্দ্য শিক্ষা
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দয়াল নবীর (সা.) অনিন্দ্য শিক্ষা

ইসলাম===

ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের রাষ্ট্রীয় সম্মানী ১১০০ কোটি টাকা
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের রাষ্ট্রীয় সম্মানী ১১০০ কোটি টাকা

ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের রাষ্ট্রীয় সম্মানী কার্যক্রম সম্প্রসারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১ হাজার ১০০ কোটি...

সরকারিভাবে হজে যাওয়া ব্যক্তিরা ফেরত পাবেন ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারিভাবে হজে যাওয়া ব্যক্তিরা ফেরত পাবেন ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করা চার হাজার ৩৪১ জন হাজিকে উদ্বৃত্ত চার কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার...

নফস নিয়ন্ত্রণে রাখার ১০ কার্যকর উপায়
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নফস নিয়ন্ত্রণে রাখার ১০ কার্যকর উপায়

নফস মানুষের স্বাভাবিক সত্তার একটি অংশ। এটি মানুষকে ভালো ও মন্দ—উভয় দিকেই পরিচালিত করতে পারে। তবে মান...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই