গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

উজিরপুরের কথ্যভাষা ও প্রবাদ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:০৮ পিএম, ১২ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০৩:৩৯ এএম ২০২৬
উজিরপুরের কথ্যভাষা ও প্রবাদ
ছবি

আজকের প্রত্যাশা

বাংলা ভাষার অনেক প্রবাদ-প্রবচন সংগ্রহ না থাকায় হারিয়ে যাচ্ছে। প্রবাদ প্রবচন একটি জনপদের মানুষের আচার-আচরণ ও সামাজিক কৃষ্টি-কালচারকে তুলে ধরে।

বাংলা ভাষায় একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ আছে ‘কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না’ বা ‘কষ্ট ছাড়া কেষ্ট মেলে না’। ইংরেজিতে বলে No gains, No pains।

মানে কষ্ট না করলে প্রার্থিত ফল পাওয়া যায় না। এই প্রবাদ-প্রবচনটি বরিশাল অঞ্চলের নয়। এটির প্রথম প্রকাশ জানা যায় ভারতীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাংলাভাষীদের লেখা থেকে। হিন্দুদের কেষ্ট দেবতাকে পেতে হলে অনেক ধ্যান-সাধনা করতে হয়। তপস্যা করতে হয়। অনেক সময় বছরের পর বছরও সাধনা করে থাকেন অনেকে।  এ একই প্রবাদের বরিশালি ভার্সন বা বরিশাল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছেনিম্নরূপভাবে-

‘ওল না ভিজাইলে 
ঝোল খাওয়া যায় যায় না।’
(বরিশালের উজিরপুরের হস্তিশুণ্ড গ্রাম থেকে সংগ্রহ)। এখানে ঝোল বুঝাতে মাছ রান্না করার পরে ঝোলের কথা বলা হয়েছে। পুকুর নদী বা খাল বিলে জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে পরিশ্রম করতে হয়। শরীর না ভিজিয়ে মাছ ধরা সম্ভব নয়। প্রতীকী অর্থে পরিশ্রমকে অণ্ডকোষ বা ওল ভিজানোর কথা বলা হয়েছে।

আগৈলঝাড়া উপজেলা থেকে সংগৃহীত এই একই প্রবাদ'
‘ভিজাও ওল
খাও ঝোল।’
এ প্রচলিত প্রবাদ বাক্যের মূল অর্থ একই। পুকুরে বা খাল নদীতে মাছ ধরতে গেলে পানি ছোঁব না তা হয় না। কোনো না কোনোভাবে পানিতে নামতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ওল (অণ্ডকোষ) পর্যন্তও ভিজাতে হয়। মানে কষ্ট করতেই হবে মাছ পেতে হলে, মাছ ধরতে হলে। তারপরে সেই মাছ রান্নার পরে তরকারি (ঝোল) খাওয়া যাবে।

সংগ্রাহক: শাহ আলম ডাকুয়ার 

আপ্র/কেএমএএ/১২.০৩.২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

বন্যা
২৪ জুলাই ২০২৬

বন্যা

ছোটগল্প===

কবিতা
২৪ জুলাই ২০২৬

কবিতা

শফিকুল ইসলাম খোকনের দুটি কবিতানিখোঁজ জেলে, তীরের আর্তনাদজাল আর স্বপ্ন হাতে,বলেছিল ‘ফিরব আমি’সন্ধ্যা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 ঘন্টা আগে