গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

গ্যাস্ট্রিকের অস্বস্তি কমাতে যা করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৫৪ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৪:২৬ এএম ২০২৬
গ্যাস্ট্রিকের অস্বস্তি কমাতে যা করবেন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

অনিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়া, দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা, অতিরিক্ত ঝাল-তেলযুক্ত খাবার, চা-কফি, ধূমপান ও মানসিক চাপের কারণে অনেকের অ্যাসিডিটি, বুকজ্বালা বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। তবে এসব উপসর্গের কারণ একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে।

কিছু সহজ অভ্যাস অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে ঘরোয়া উপায় সব ধরনের পেটব্যথা বা অ্যাসিডিটির চিকিৎসা নয়।

আদা ও লবঙ্গ

আদা হজমের অস্বস্তি ও বমিভাব কমাতে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। তবে বেশি আদা খেলে কারো কারো বুকজ্বালা বাড়তে পারে।

লবঙ্গও প্রচলিত ঘরোয়া উপাদান। তবে লবঙ্গ বা আদা অ্যাসিডিটির নিশ্চিত চিকিৎসা—এমন প্রমাণ যথেষ্ট নয়। তাই উপসর্গ বাড়লে এগুলো খাওয়া বন্ধ করা উচিত।

জোয়ান, মৌরি ও জিরা

পেট ফাঁপা বা হজমের অস্বস্তিতে জোয়ান, মৌরি ও জিরা অনেকেই ব্যবহার করেন। হালকা জিরা বা মৌরির পানি পান করলে কারো কারো্ সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। তবে এগুলো অতিরিক্ত ঘন করে খাওয়ার প্রয়োজন নেই।

দুধ ও দই

দুধ কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সাময়িক আরাম দিতে পারে, আবার অন্যদের বুকজ্বালা বাড়িয়েও দিতে পারে। তাই দুধ খেলে উপসর্গ বাড়ে কি না, তা লক্ষ্য করা জরুরি।

দইয়ে থাকা উপকারী জীবাণু অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে। তবে দইকে অ্যাসিডিটির তাৎক্ষণিক চিকিৎসা হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

ডাবের পানি

ডাবের পানি শরীরে তরল ও বিভিন্ন ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে। তবে এটি পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড দূর করে বা তীব্র গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা সারিয়ে দেয়—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

বেকিং সোডায় সতর্কতা

বেকিং সোডা সাময়িকভাবে অ্যাসিড নিরপেক্ষ করতে পারে। তবে নিজের মতো করে নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে খাওয়া নিরাপদ নয়। এতে শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম প্রবেশ করতে পারে এবং কিছু মানুষের জন্য গুরুতর সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাই গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর জন্য বেকিং সোডা নিয়মিত ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে ব্যবহার না করাই ভালো।

গ্যাস্ট্রিকের অস্বস্তি কমাতে যে অভ্যাসগুলো উপকারী

নিয়মিত খাবার খান: দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত ঝাল, তেলেভাজা ও ভারী খাবার কমিয়ে দিন। কোন খাবারে আপনার উপসর্গ বাড়ে, সেটি খেয়াল রাখুন।

খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না: খাবারের পর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করে ঘুমানো ভালো। হালকা হাঁটাহাঁটিও উপকারী হতে পারে।

চা-কফি ও কোমল পানীয় কমান: এগুলো অনেকের অ্যাসিডিটির উপসর্গ বাড়াতে পারে। ধূমপানও এড়িয়ে চলা উচিত।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি

বুকজ্বালা বা পেটের ব্যথা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে শুধু ‘গ্যাস্ট্রিক’ ধরে নিয়ে ঘরোয়া উপায়ে চিকিৎসা করা ঠিক নয়। রক্তবমি, পায়খানায় রক্ত, বারবার বমি, অনিচ্ছাকৃত ওজন কমে যাওয়া, তীব্র বা স্থায়ী পেটব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

আর বুকের ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ঘাম, মাথা ঘোরা বা ব্যথা হাত, কাঁধ কিংবা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়লে সেটিকে গ্যাস্ট্রিক ধরে না নিয়ে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

এসি/আপ্র/১৬/০৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

যেকোনো বয়সে শরীর বদলাবে ৫ অভ্যাসে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যেকোনো বয়সে শরীর বদলাবে ৫ অভ্যাসে

ফিট ও সুস্থ শরীর গড়ার জন্য বয়স কম হওয়া কিংবা কঠোর ব্যায়াম ও কড়া খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা সবসময় জরুরি নয়।...

সন্তান আসার পর দাম্পত্যে রোমান্স ফেরাবেন যেভাবে
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সন্তান আসার পর দাম্পত্যে রোমান্স ফেরাবেন যেভাবে

একটি শিশু পৃথিবীতে আসার পর পুরো পরিবারের চিত্রই বদলে যায়। নতুন জীবনের আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি বা...

পেঁয়াজের খোসার পানিতে কি সত্যিই চুল গজায়!
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পেঁয়াজের খোসার পানিতে কি সত্যিই চুল গজায়!

রান্নাঘরে প্রতিদিন এমন অনেক কিছুই ব্যবহার করি, যার প্রয়োজন শেষ হলেই জায়গা হয় ময়লার ঝুড়িতে। পেঁয়াজের...

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, সম্পর্ক থাকবে উষ্ণ
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, সম্পর্ক থাকবে উষ্ণ

অফিসের চাপ, একের পর এক সভা, কাজের সময়সীমা ও পারিবারিক নানা দায়িত্ব—সব মিলিয়ে ব্যস্ত জীবনে সঙ্গীকে পর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই