গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

মেনু

গুম অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয় ছিল, ট্রাইব্যুনাল আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৪৪ পিএম, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৯:২৭ এএম ২০২৬
গুম অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয় ছিল, ট্রাইব্যুনাল আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর
ছবি

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম -ছবি সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, গুমের বিচারের জন্য পৃথক অধ্যাদেশ ‘অপ্রয়োজনীয়’ ছিল এবং বিদ্যমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনেই এ অপরাধের বিচারের ‘পর্যাপ্ত এখতিয়ার’ রয়েছে।

পৃথক ‘গুম অধ্যাদেশ’ বাতিল করে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (সংশোধন) বিল’ পাস হওয়ার প্রেক্ষিতে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

এ দিন সংসদ অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে গুমকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

‘গুম অধ্যাদেশ’ বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম অধ্যাদেশের আওতায় যে অপরাধগুলো ছিল, তা ইতোমধ্যে আমাদের আইনে (ট্রাইব্যুনাল আইন) সংবিবদ্ধ। সেখানে আলাদা আইন করে ট্রাইব্যুনাল গঠন করার কোনো প্রয়োজনীয়তা আমি শুরু থেকেই অনুভব করিনি। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়েছে, এটি একটি অপ্রয়োজনীয় আইন ছিল। গুম অধ্যাদেশটি এখন ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্টের সঙ্গে একীভূত হওয়া একটি সঠিক ও যথার্থ কাজ হয়েছে। এর মাধ্যমে গুমের বিচার কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে।
‘মায়ের ডাক’-এর অভিযোগ ও তদন্তের অগ্রগতি: গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর পক্ষ থেকে পাওয়া অভিযোগ প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ৭১টি আবেদন পেলেও সংগঠনের দাবি অনুযায়ী প্রায় ১০১টি অভিযোগ রয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ভূক্তভোগীর তদন্ত করা সময়সাপেক্ষ বিষয়। কারণ এই অপরাধগুলো দীর্ঘ সময় ধরে সংঘটিত হয়েছে এবং অনেক গোপনীয়তা এর সঙ্গে জড়িত।
তদন্তের কৌশলগত কারণে সব তথ্য প্রকাশ করা ‘সম্ভব নয়’ জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে আশ্বস্ত করেছি, আগামী এক মাসের মধ্যে দৃশ্যমান ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আমরা দেখাতে পারব। প্রতিটি অভিযোগ আমরা আলাদাভাবে তদন্ত করছি।

ট্রাইব্যুনালে জনবল ও অবকাঠামো সংকটের কথা জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, সারাদেশ থেকে কয়েক হাজার অভিযোগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান জনবল নিয়ে আমাদের ওপর ব্যাপক কাজের চাপ রয়েছে। প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।


সানা/ডিসি/আপ্র/৭/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

কালো টাকা বৈধের উদ্যোগ থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান টিআইবির
০৪ জুন ২০২৬

কালো টাকা বৈধের উদ্যোগ থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান টিআইবির

কোনো ধরনের কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন করার সুযোগ না রেখে ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ ঘোষণার মাধ্যমে সরকার আসন্ন ২০২৬-২০২...

কমানো হলো সবচেয়ে কম ব্যবহারকারী গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম
০৪ জুন ২০২৬

কমানো হলো সবচেয়ে কম ব্যবহারকারী গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম

সব ধরনের গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পর কমানো হলো লাইফলাইন (০-৫০/০-৭৫ ইউনিট) গ্রাহকদের বিদ্যুতের...

৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
০৪ জুন ২০২৬

৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। বৃ...

দুই পদ একসঙ্গে সামলানোর নজির রয়েছে : খ‌লিলুর রহমান
০৪ জুন ২০২৬

দুই পদ একসঙ্গে সামলানোর নজির রয়েছে : খ‌লিলুর রহমান

জাতিসংঘ অধিবেশনের সভাপতি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পূর্ণকালীন দায়িত্ব একসঙ্গে পালনে কোনো সমস্যা দেখছেন ন...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই