গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

দুর্নীতির মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তা কারাগারে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩১ পিএম, ১২ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২২:২৬ এএম ২০২৬
দুর্নীতির মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তা কারাগারে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সাড়ে ১৮ কোটি টাকা মানিলোন্ডারিং এবং রপ্তানি প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১২ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।

দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে গত ১৬ এপ্রিল বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। ওই সময় আদালত তাদের জামিন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বহাল রেখেছিলেন। পরে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে দুদকের পক্ষ থেকে তার বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো ১১ কর্মকর্তা হলেন-জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার ও বাসুদেব পালক।

দুদক সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর পাঁচ দেশে রপ্তানির নামে অর্থপাচার এবং সরকারি প্রণোদনার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে পণ্য রপ্তানির ভুয়া তথ্য দেখিয়ে ‘দো এম্পেক্স লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ১৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেশে আনেন। একই সঙ্গে ৩৪টি রপ্তানি চালানের বিপরীতে প্রায় ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা সরকারি প্রণোদনা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করা হয়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ৪১টি রপ্তানি বিল দাখিল করে। এর মধ্যে সাতটি চালানের বিপরীতে কৃষিপণ্য রপ্তানির সত্যতা পাওয়া গেলেও বাকি ৩৪টি চালানের ক্ষেত্রে কোনো পণ্য রপ্তানির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মামলায় আরো বলা হয়, ভুয়া রপ্তানি দেখিয়ে অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে ২২ লাখ ১৮ হাজার ১৭ দশমিক ৪৪ মার্কিন ডলার দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়, যার মূল্য প্রায় ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৯১ হাজার টাকা। পরে রপ্তানি প্রণোদনা হিসেবে আরো ৩ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়।
সানা/ডিসি/আপ্র/১২/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল

চলতি বছরের জুলাই থেকে বিভিন্ন কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল হয়েছ...

ঢাকার দুই প্রান্ত যুক্ত করবে নতুন মেট্রোরেল
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার দুই প্রান্ত যুক্ত করবে নতুন মেট্রোরেল

রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলকে একই পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭...

জিয়াউর রহমানকে গুলি করেন মতিউর, এরশাদ চট্টগ্রামে যান ২৮ মে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জিয়াউর রহমানকে গুলি করেন মতিউর, এরশাদ চট্টগ্রামে যান ২৮ মে

মোজাফফরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানালেন প্রসিকিউটর

সম্পর্ক নতুনভাবে শুরু করতে চাই, তাই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হওয়া উচিত
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্পর্ক নতুনভাবে শুরু করতে চাই, তাই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হওয়া উচিত

বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নতুনভাবে শুরু করতে চায় উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই