গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

চীন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘এটা স্ত্রী-সতিনের মারামারি নয়’

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:০৪ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০২:১৯ এএম ২০২৬
চীন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘এটা স্ত্রী-সতিনের মারামারি নয়’
ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান -ছবি সংগৃহীত

কোনো একটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানেই অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোনো ‘জিরো সাম গেম’-এর ভিত্তিতে পরিচালিত হয় না; বরং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, “একজনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতি করে আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে-আমরা কখনো সেটা করবো না। সব দেশের সঙ্গে স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে আমরা সম্পর্ক বৃদ্ধির চেষ্টা করেছি।”

চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কূটনীতিতে আমরা আন্দাজে কাজ করি না। আমরা বাস্তবতার ভিত্তিতে কাজ করি। কারও সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানে এই নয় যে, আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে।”

সম্পর্কের ভারসাম্য বোঝাতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এটা তো স্ত্রী ও সতিনের মধ্যে মারামারি নয়। এটা হচ্ছে স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক, যেখানে আমাদের স্বার্থ, আমরা সেখানে যাবো।”

তিনি বলেন, চীনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সফর অত্যন্ত ভালো হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গেলে সেই সফরও ইতিবাচক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “চীনে আমাদের অত্যন্ত ভালো সফর হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ভারতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যান, ভালো। আমরা আশা করবো সেই সফরটিও অত্যন্ত ভালো হোক।”

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন খলিলুর রহমান। মার্কিন দূতের আসন্ন সফর ঘিরে কোনো চাপ অনুভব করছেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা কোনো চাপ অনুভব করছি না।”

তিনি বলেন, “মার্কিন দূত আসবেন, আমার সঙ্গে সেক্রেটারি অব স্টেটের দেখা হয়েছে। এসব যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাচ্ছি। বাংলাদেশের সঙ্গে তো একটি দেশের নয়, বহু দেশের সম্পর্ক রয়েছে।”

ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।

তিনি বলেন, “আমরা বিশেষ কোনো ইস্যু নিয়ে এবার কথা বলিনি। আমাদের মধ্যে যেসব বিষয় রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আগামী দিনে আলোচনা হবে। দুই পক্ষই আশা প্রকাশ করেছি, ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করবো।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি চীন সফরের পর বাংলাদেশের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চলছে। একই সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও কূটনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
সানা/আপ্র/৩০/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইউএনওকে ফুল দিয়ে বরণ জামায়াতের এমপির, প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন
৩০ জুলাই ২০২৬

ইউএনওকে ফুল দিয়ে বরণ জামায়াতের এমপির, প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন

কুষ্টিয়ার মিরপুরে নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরুকে কার্যালয়ে গিয়ে ফুল...

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি
২৯ জুলাই ২০২৬

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে দিল্ল...

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান
২৯ জুলাই ২০২৬

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান

বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের স্বর্ণযুগের অন্যতম নেপথ্য কারিগর, প্রযোজক ও নির্মাতা মুস্তাফিজুর রহমানকে...

কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করলো হাইআতুল উলয়া
২৯ জুলাই ২০২৬

কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করলো হাইআতুল উলয়া

কওমি মাদ্রাসাসংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকি জোরদার...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে