গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

১৯ বছরের পথচলার ইতি টানছেন বসনিয়ার কিংবদন্তি জেকো

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:০৩ পিএম, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৫ এএম ২০২৬
১৯ বছরের পথচলার ইতি টানছেন বসনিয়ার কিংবদন্তি জেকো
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা জাতীয় দলের হয়ে প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন এদিন জেকো। আগামী মাসে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেবেন দেশটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

১১ নম্বর জার্সি পরা নিজের দুটি ছবিসহ ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন ৪০ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। আগামী ২ অক্টোবর নেশন্স লিগে ঘরের মাঠে সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচটিই হবে জাতীয় দলের হয়ে তার শেষ ম্যাচ।

তিনি লেখেন, “আমার পুরো ক্যারিয়ারে কোনো কিছুই সেই গর্বের সঙ্গে তুলনীয় নয়, যা প্রতিবার এই জার্সিটি পরার সময় আমি অনুভব করেছি। এটা ছিল আমার ছোটবেলার স্বপ্ন, এমন একটি স্বপ্ন, যা আমি বয়ে বেড়িয়েছি ১৫১ ম্যাচের প্রতিটিতে, যখন ফুটবল মাঠে আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সম্মান পেয়েছি... তুরস্কের বিপক্ষে সেই অভিষেক ম্যাচের পর প্রায় ২০ বছর কেটে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, “অনেক কিছুই বদলে গেছে, আমিও বদলে গেছি, কিন্তু এই জার্সির প্রতি আমার ভালোবাসা কখনও বদলায়নি। এখন আমার মনে হচ্ছে, সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। জাতীয় দলের সঙ্গে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত টিকে থাকতে পারার কারণ হলো, আমি আমার সর্বস্ব দিয়েছি। প্রতিবার। সবকিছু।”

আন্তর্জাতিক ফুটবলে জেকোর অভিষেক হয় ২০০৭ সালের জুনে। বসনিয়ার জার্সিতে ১৫১টি ম্যাচে ৭৩টি গোল করেছেন তিনি, যা দলটির হয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ম্যাচ ও গোলের রেকর্ড।

দেশটিকে ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনে সহায়তা করেন জেকো। সেই ঐতিহাসিক অর্জনকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

তার ভাষায়, “২০১৪ সালে আমাদের প্রথমবার বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করাটা একজন ফুটবলার হিসেবে আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে থাকবে। ওয়েলসের বিপক্ষে গোল করার রাতে এবং তারপর ইতালির বিপক্ষে গোল করার সময় আমি যে আবেগ অনুভব করেছিলাম, তা চিরকাল আমার হৃদয়ে রয়ে যাবে। আমাদের শহরগুলোর রাস্তায় মানুষদের উল্লাস করতে দেখাটা ছিল ফুটবলের দেওয়া আরও একটি অবিশ্বাস্য উপহার।”

ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসেও সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজের সেরাটা দিয়ে গেছেন জেকো। চলতি বছরের বিশ্বকাপে দলকে শেষ বত্রিশে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে জেকোর চেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে খেলার নজির আছে কেবল লুকা মদ্রিচ, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও রজার মিলার নামের তিন কিংবদন্তির।

ক্লাব ফুটবলে ম্যানচেস্টার সিটি, রোমা ও ইন্টার মিলানের মতো ইউরোপের প্রতিষ্ঠিত ক্লাবগুলোর হয়ে খেলেছেন জেকো। বর্তমানে তিনি খেলছেন জার্মান ক্লাব শালকের হয়ে।

অক্টোবরে নেশন্স লিগে সুইডেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে চলতি মাসের শেষ দিকে পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার বিপক্ষেও মাঠে নামবে বসনিয়া।

ডিসি/আপ্র/০৩/০৯/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

এবার বাংলাদেশের কোচ হতে চান খালেদ মাহমুদ সুজন
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার বাংলাদেশের কোচ হতে চান খালেদ মাহমুদ সুজন

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) দীর্ঘ সময় আবাহনীর প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। ব...

জাপান যাওয়ার আগে মিরপুরে শান্ত-লিটনদের জোড়া প্রস্তুতি ম্যাচ
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাপান যাওয়ার আগে মিরপুরে শান্ত-লিটনদের জোড়া প্রস্তুতি ম্যাচ

জাপানে যাওয়ার আগে মিরপুরেই প্রস্তুতির বড় পরীক্ষা দেবে বাংলাদেশ। এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে অংশ নিতে যাওয়...

জাতীয় দলের কোচিংয়ে ফিরতে আপত্তি নেই সুজনের
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় দলের কোচিংয়ে ফিরতে আপত্তি নেই সুজনের

জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ এলে সেটি গ্রহণ করতে প্রস্তুত খালেদ মাহমুদ সুজন। দীর্ঘদিন...

টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে রুটের রেকর্ড
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে রুটের রেকর্ড

পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস দিয়ে শুরু সিরিজ। পরের তিন ইনিংসে সর্বোচ্চ রান ২৪। শেষটা আবার ফিফটি দিয়েই করতে প...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই