গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মেনু

কুড়িগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিএনপিতে যোগদান, জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড়

জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম

জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম

প্রকাশিত: ১৩:১৯ পিএম, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ০১:১৮ এএম ২০২৬
কুড়িগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিএনপিতে যোগদান, জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড়
ছবি

ছবি সংগৃহীত

কুড়িগ্রামে আলোচিত রফিকুল হত্যা মামলার আসামিসহ কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান নিয়ে জেলাজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।


বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক সমাজ এ ঘটনাকে ‘ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন’ এবং ‘শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।


শনিবার (২০ ডিসেম্বর) কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন এসব নেতাকর্মী। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব এবং সদস্য সচিব ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সোহেল হাসনাইন কায়কোবাদ ফুল দিয়ে তাদের দলে বরণ করে নেন।


বিএনপিতে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান কাউন্সিলর আনিসুর রহমান, আল হারুনুজ্জামান হারুন, মোস্তফা কামাল, জমশেদ আলী টুংকু, আবদুল মালেক এবং সাবেক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সহিরন বেগম ও মুক্তা বেগমসহ মোট নয়জন।


এদের মধ্যে আনিসুর রহমান কুড়িগ্রামের আলোচিত ছাত্রশিবিরের কর্মী রফিকুল হত্যা মামলার আসামি বলে জানা গেছে।


ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই বিএনপির এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক নৈতিকতার প্রশ্নে বিতর্কিত বলে মন্তব্য করছেন।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুড়িগ্রাম জেলার আহ্বায়ক লোকমান হোসেন লিমন বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদপুষ্ট নেতাদের দলে নিয়ে বিএনপি রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের পরিচয় দিয়েছে। এতে শত শত শহীদ ও সহস্রাধিক আহত মানুষের আত্মত্যাগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।’


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুড়িগ্রাম জেলা আহ্বায়ক মুকুল মিয়া বলেন, ‘বিতর্কিত নেতাদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া মানে পতিত আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেওয়া। এটি জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানির শামিল।’


এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামীও। কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠা হামলার সময় ছাত্রশিবিরের কর্মী রফিকুল হত্যা মামলার নামীয় আসামিসহ পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাদের বিএনপিতে আশ্রয় দেওয়ায় আমরা লজ্জিত।’


তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে জেলা বিএনপি। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘যারা যোগ দিয়েছেন, তারা আওয়ামী লীগের প্রথিতযশা কোনো নেতা নন। নয়জনের মধ্যে দুই-একজনের আগে পদ থাকলেও বাকিরা ৫ আগস্টের আগেই পদত্যাগ করেছেন। তাদের নামে কোনো মামলা নেই।’


এসি/আপ্র/২১/১২/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

ভাত চেয়ে না পেয়ে ৫ জনকে কুপিয়ে জখম
১৯ মে ২০২৬

ভাত চেয়ে না পেয়ে ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় ভাত চেয়ে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সাতটি ঘরে ভাঙচুর ও নারী-শিশুসহ পাঁচজনকে কুপ...

টঙ্গীতে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪
১৯ মে ২০২৬

টঙ্গীতে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের টঙ্গীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের ঘটন...

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে মেহেরপুর বিএনপির অঙ্গীকার
১৯ মে ২০২৬

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে মেহেরপুর বিএনপির অঙ্গীকার

‎এস এ খান শিল্টু, মেহেরপুর: মেহেরপুর সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ‘জুলা...

রামপালে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বাজেট দাবি
১৯ মে ২০২৬

রামপালে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বাজেট দাবি

বাগেরহাটের রামপালে দলিত, প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদের বার্ষিক বাজ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ সুদহার নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টের রুল জারি

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। আপনি কি মনে করেন- গ্রামীণ ব্যাংক সবচেয়ে চড়া সুদ আদায় করে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে