গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমি আইন উপেক্ষা করে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও

জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও

প্রকাশিত: ২১:৫২ পিএম, ২৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৩:০৭ এএম ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমি আইন উপেক্ষা করে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ
ছবি

প্রতীকী ছবি

বিশাল রহমান: ভূমি আইন ও সরকারি বিধিমালা উপেক্ষা করে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানাধীন রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ী গ্রামে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে অসন্তোষ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, খড়িবাড়ী গ্রামের মহাদেব চন্দ্র পূর্বের মূল জোতদার আবুল কাসেমের দ্বিতীয় সন্তান মোতাহার হোসেনের কাছ থেকে আইনগত বাধা থাকা সত্ত্বেও একটি জমি রেজিস্ট্রি করে নিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বিধান ও ভূমি আইনের তোয়াক্কা না করেই গোপনে এ দলিল সম্পাদন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খড়িবাড়ী মৌজার (জে এল নম্বর ৪৮) ২২৩৩ ও ৩৪৭৮ নম্বর দাগের জমি ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর আওতায় পি ও ৯৬/৭২ মামলার মাধ্যমে সরকার বরাবর বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নালিশি জমি বর্তমানে আল আমীন সরকার আপিলে ভোগদখলীয় অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট খতিয়ানের সম্পত্তির বৈধ মালিকানা ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি গোপন রেখে দলিল সম্পন্ন করা হয়েছে। ভূমি সংস্কার আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সীমার অতিরিক্ত জমি মালিকানা, অর্পিত বা খাস প্রকৃতির জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে বিধিনিষেধ রয়েছে, তা এ ক্ষেত্রে মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে আরো বলা হয়, মূল জোতদার আবুল কাসেমের পরিবার আইনগতভাবে ওই জমির পূর্ণ মালিকানা বা হস্তান্তরের একচ্ছত্র অধিকার না থাকা সত্ত্বেও তাঁর দ্বিতীয় ছেলে মোতাহার হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশ করে মহাদেব চন্দ্র এ দলিল সম্পাদন করেছেন।

নথিপত্র পর্যালোচনার দাবি করে অভিযোগকারীরা জানান, খড়িবাড়ী মৌজার ২২৩৫, ২২৩৬, ২২৩১, ২২৩৪ ও ২২৩৭ নম্বর দাগের জমি নিয়েও আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব বিষয়ে আল আমীন সরকার পৈতৃক সূত্রে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন বলেও জানানো হয়েছে।

এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে অবৈধ দলিলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে সরকারি সম্পত্তি বেহাত হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি ভূমি বিরোধ ও জটিলতা তৈরি হতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে দলিল গ্রহীতা মহাদেব চন্দ্রের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা অবিলম্বে অভিযোগের তদন্ত, দলিলের বৈধতা যাচাই এবং আইনবহির্ভূত প্রমাণিত হলে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।”
সানা/আপ্র/২৮/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

চুল কাটতে বের হওয়া রায়হান ফিরলো এক পা ও কিডনি হারিয়ে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুল কাটতে বের হওয়া রায়হান ফিরলো এক পা ও কিডনি হারিয়ে

মাত্র ১০০ টাকা নিয়ে চুল কাটতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১২ বছরের শিশু মোহাম্মদ রায়হান। সাত মাস পর যখন বাড়...

অদ্ভুত দেশ আমাদের! ‘অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর’
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অদ্ভুত দেশ আমাদের! ‘অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর’

ভোলার মতবিনিময় সভায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

চট্টগ্রামে প্রতি শনিবার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে প্রতি শনিবার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

একেএম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম ব্যুরো: ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়াসহ মৌসুমি রোগের প্রকোপ ঠেকাতে চট্ট...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই