গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মেনু

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া বেতন নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:১৪ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৫:২১ এএম ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া বেতন নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আট মাসের বকেয়া বেতন সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এ নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বকেয়া বেতন বিল জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, মাউশি অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত জনবলদের বেতন ডিসেম্বর-২০২৪ থেকে জুলাই-২০২৫ পর্যন্ত সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। ইএফটির জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাধ্যমে তাদের প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত সব শিক্ষকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যাংক তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং এরপর ইবিএএস++ সিস্টেমে যাচাই করা হয়। যদি কোনো তথ্য ভুল হিসেবে শনাক্ত হয়, তবে তা সঠিক হওয়ার পর বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করে বকেয়া বেতন পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান বলেন, যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারীর কোনো মাসের বেতন বা উৎসবভাতা বকেয়া আছে, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে লগইন করে বিল সাবমিট অপশন থেকে প্রতিটি মাসের বিল আলাদাভাবে সাবমিট করবেন। দাখিলকৃত তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বকেয়া অর্থ পাঠানো হবে।

ইএফটি চালু হওয়ার পর ডিসেম্বর-২০২৪ থেকে জুলাই-২০২৫ পর্যন্ত কোনো শিক্ষক ইতোমধ্যেই অনলাইন এমপিও আবেদন করে বকেয়া পেয়ে থাকলে, তাদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট নেই অপশন ব্যবহার করতে হবে।

মাউশি আরো জানায়, প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর বকেয়া অর্থ বিধিমতো নির্ধারণ করে আলাদাভাবে বিল সাবমিট করতে হবে। ইএফটির মাধ্যমে বেতন প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। ভুল তথ্যের কারণে যদি কোনো শিক্ষক অতিরিক্ত বা কম অর্থ পান, তার দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের উপর থাকবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, যদি এমপিও তালিকায় থাকা কোনো শিক্ষক মৃত্যুবরণ বা পদত্যাগ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট মাসের বেতন বিধিমতো নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করতে হবে। এছাড়া সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি, স্টপ পেমেন্ট, সনদ জালিয়াতি বা অন্য কোনো কারণে আংশিক বা সম্পূর্ণ বেতন কর্তন প্রয়োজন হলে সেটিও বিল সাবমিট অপশনে উল্লেখ করতে হবে।

মাউশি আরো জানায়, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ডিসেম্বর-২০২৪ থেকে জুলাই-২০২৫ পর্যন্ত সব বকেয়া এমপিও বিল সাবমিট করার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সতর্কভাবে অনুরোধ করা হলো।

এসি/আপ্র/০২/০২/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
১৯ মে ২০২৬

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে।...

পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকার প্রস্তাব!
১৯ মে ২০২৬

পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকার প্রস্তাব!

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। পরিকল্প...

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক
১৯ মে ২০২৬

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকা মূল্যমানের নতুন ব্যাংক...

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার কেন স্বাভাবিক ব্যাংকের মতো নয়, প্রশ্ন হাই কোর্টের
১৮ মে ২০২৬

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার কেন স্বাভাবিক ব্যাংকের মতো নয়, প্রশ্ন হাই কোর্টের

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ সুদহার নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টের রুল জারি

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। আপনি কি মনে করেন- গ্রামীণ ব্যাংক সবচেয়ে চড়া সুদ আদায় করে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে