গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মেনু

৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আল্টিমেটাম, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮:৫৮ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০২:০৮ এএম ২০২৬
৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আল্টিমেটাম, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে এ বিষয়ে দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়া হলে ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৫ সালে ঘোষিত ৮ম পে-স্কেলে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। ওই সময় থেকেই পে-স্কেলের বৈষম্য নিরসনের দাবিতে আবেদন-নিবেদন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও তৎকালীন সরকারের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকি বিগত কোনো সরকারই সংগঠনটির সঙ্গে আলোচনায় বসেনি বলেও দাবি করা হয়। তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে ১৯৯১ ও ২০০৫ সালে দুটি পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনটির দাবি, গত ১১ বছর ধরে নতুন পে-স্কেল না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীরা বঞ্চিত রয়েছেন। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, ফলে ছয় সদস্যের পরিবারের ব্যয়ভার বহন করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ২০১৯ সাল থেকে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও দাবি জানানো হয়। এরই প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালে একটি পে-কমিশন গঠন করা হয় এবং কমিশন তাদের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেয়। তবে আশ্বাস দেওয়া হলেও পে-স্কেল বাস্তবায়নে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।

বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন পে-স্কেল না হওয়া এবং বর্তমান মূল্যস্ফীতির বাস্তবতা বিবেচনায় দ্রুততম সময়ে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

সংগঠনের ২০ ফেব্রুয়ারির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিম্নোক্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে-

১. ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন।

২. একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতারা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেবেন।

৩. পবিত্র রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন।

২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান ও বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে সরকার ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ না নিলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এসি/আপ্র/২২/০২/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
১৯ মে ২০২৬

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে।...

পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকার প্রস্তাব!
১৯ মে ২০২৬

পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকার প্রস্তাব!

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। পরিকল্প...

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক
১৯ মে ২০২৬

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকা মূল্যমানের নতুন ব্যাংক...

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার কেন স্বাভাবিক ব্যাংকের মতো নয়, প্রশ্ন হাই কোর্টের
১৮ মে ২০২৬

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার কেন স্বাভাবিক ব্যাংকের মতো নয়, প্রশ্ন হাই কোর্টের

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ সুদহার নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টের রুল জারি

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। আপনি কি মনে করেন- গ্রামীণ ব্যাংক সবচেয়ে চড়া সুদ আদায় করে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে