গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মেনু

১০০ বৈদ্যুতিক বাসে ৪০০ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৩৭ পিএম, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৪ এএম ২০২৬
১০০ বৈদ্যুতিক বাসে ৪০০ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি
ছবি

১০০ বৈদ্যুতিক বাসে ৪০০ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি

ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। প্রথম পর্যায়ে ১০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনা, ২৫টি চার্জিং স্টেশন স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইক্যুইটি বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

সম্প্রতি বিআরটিসি শাখা থেকে অর্থ বিভাগে পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিআরটিসি দেশের মহানগর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে গণপরিবহন সেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বহরে বৈদ্যুতিক বাস যুক্ত করা জরুরি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী সবুজ পরিবহন করিডোর গড়ে তোলা, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বাস্তবায়নে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সড়ক পরিবহন বিভাগ জানিয়েছে, বৈদ্যুতিক বাস চালু হলে জ্বালানি ব্যয় কমবে, বায়ুদূষণ হ্রাস পাবে, যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিচালন ব্যয়ও কমে আসবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব বাস ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রুটের পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোর আন্তঃনগর রুটেও পরিচালিত হবে।

জানা গেছে, এর আগে একই উদ্দেশ্যে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান চেয়ে আবেদন করা হলেও অর্থ বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থায়নের পরামর্শ দিয়েছিল। তবে বিআরটিসি জানিয়েছে, নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে পুরো প্রকল্পের ব্যয় বহন সম্ভব নয়। আবার ঋণ নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিরিক্ত সুদের চাপ সৃষ্টি হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না।

এ কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেট থেকে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইক্যুইটি হিসেবে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য পুনরায় আবেদন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ব্যয়ের মধ্যে ১০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার জন্য ২৫০ কোটি টাকা, ২৫টি চার্জিং স্টেশন স্থাপনে ৫০ কোটি টাকা, যন্ত্রাংশ ও স্পেয়ার পার্টস সংগ্রহে ৩৫ কোটি টাকা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তায় ২০ কোটি টাকা, পরিবহন, নিবন্ধন ও অন্যান্য ব্যয়ে ২৫ কোটি টাকা এবং ডিপো ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

বিআরটিসির মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গণপরিবহনে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এবং যাত্রীদের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও টেকসই পরিবহনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এসি/আপ্র/১৯/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সরবরাহ সংকটে কাঁচামরিচের দাম প্রায় ৩০০ টাকা
২৮ জুলাই ২০২৬

সরবরাহ সংকটে কাঁচামরিচের দাম প্রায় ৩০০ টাকা

সরবরাহ কমে যাওয়ায় বগুড়ার কাঁচামরিচের বাজারে আবারো ঊর্ধ্বমুখী দাম দেখা দিয়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধান...

৫ বছরে খাদ্য মজুত সক্ষমতা হবে ৩৪ লাখ টন
২৮ জুলাই ২০২৬

৫ বছরে খাদ্য মজুত সক্ষমতা হবে ৩৪ লাখ টন

দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত নিরাপদ সীমার অনেক ওপরে রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারি খ...

ঘরে বসেই অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার উপায়
২৬ জুলাই ২০২৬

ঘরে বসেই অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার উপায়

নতুন করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগের বছরের মতো এবারও...

টানা বৃষ্টিতে ৩২০ টাকায় কাঁচামরিচ, ঝালে পুড়ছে ক্রেতা
২৫ জুলাই ২০২৬

টানা বৃষ্টিতে ৩২০ টাকায় কাঁচামরিচ, ঝালে পুড়ছে ক্রেতা

টানা বৃষ্টিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। মাত্র এক সপ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই