গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

তাপপ্রবাহে দেশের অর্থনীতিতে ক্ষতি হয়েছে ১.৮ বিলিয়ন ডলার

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩২ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৪:২৭ এএম ২০২৬
তাপপ্রবাহে দেশের অর্থনীতিতে ক্ষতি হয়েছে ১.৮ বিলিয়ন ডলার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

তীব্র তাপপ্রবাহের প্রভাবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে ১ দশমিক ৩ থেকে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হয়েছে- যা বাংলাদেশের মোট জিডিপির প্রায় ০ দশমিক ৩ থেকে ০ দশমিক ৪ শতাংশের সমান বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক জানায়, তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেলে উৎপাদনশীলতার ক্ষতি দ্রুত বাড়তে থাকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী অতিরিক্ত গরমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাজধানী ঢাকা। প্রতি বছর তাপপ্রবাহের কারণে ঢাকায় মোট কর্মঘণ্টার প্রায় ৩ শতাংশ নষ্ট হচ্ছে, যা প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন চাকরি হারানোর সমান।

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০৮০ সালের মধ্যে ঢাকায় উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টা হারানোর পরিমাণ বেড়ে ৭ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়াতে পারে।

তাপজনিত ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাতও। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, আন্তর্জাতিক অর্থ করপোরেশন এবং কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল লেবার ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার পোশাক শিল্পে তাপজনিত চাপ মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।History

প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত তাপ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে নারী শ্রমিকদের ওপর সহিংসতা ও হয়রানির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তীব্র গরমের কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে চরম তাপপ্রবাহের কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ পূর্ণকালীন চাকরির সমপরিমাণ উৎপাদনশীলতা হারিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি, ২০৫০ সালের মধ্যে তাপপ্রবাহের প্রভাবে এ অঞ্চলের অর্থনীতি প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জট বলেন, তাপসহনশীল নগর গড়ে তোলা কেবল মানুষের জীবন রক্ষার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা, বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্যও এটি অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে আরও সহনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

কেএমএএ/আপ্র/৩০.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক, উৎপাদনে ফিরছে সিইউএফএল
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক, উৎপাদনে ফিরছে সিইউএফএল

দীর্ঘদিন গ্যাসসংকটে বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় উৎপাদনে ফিরতে প্রস্তুত চট্ট...

জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে...

আদানির বিকল ইউনিট সচল, বাড়ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদানির বিকল ইউনিট সচল, বাড়ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ

ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া দ্বিত...

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরো ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনতে চায় বাংলাদেশ
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরো ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনতে চায় বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগামী পাঁচ বছরে আরো ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আনতে চায় বাংলাদেশ। আর এ লক্ষ্যে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই