গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

কণ্ঠস্বর ভালো রাখতে ইমন চক্রবর্তী যে পরামর্শ দিলেন

বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:২১ পিএম, ০১ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২৩:১৫ এএম ২০২৬
কণ্ঠস্বর ভালো রাখতে ইমন চক্রবর্তী যে পরামর্শ দিলেন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

গান শুধু সুর ও তালনির্ভর নয়, এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে শারীরিক সক্ষমতাও। বিশেষ করে একজন সংগীতশিল্পীর জন্য কণ্ঠস্বরকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন, শরীরচর্চা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ। এমনটাই মনে করেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী।

সম্প্রতি গানের ক্লাসে শিক্ষার্থীদের যোগাসনের গুরুত্ব বোঝাতে দেখা গেছে ইমনকে। শুধু তাই নয়, যোগাভ্যাসের মধ্যেই চলেছে সংগীতের রেওয়াজ। কুম্ভকাসন বা প্ল্যাংক ভঙ্গিতে থেকে সরগমের সাতটি স্বর অনুশীলন করানোর মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেছেন কণ্ঠচর্চা ও শারীরিক ব্যায়ামের পারস্পরিক সম্পর্ক।

ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইমন বলেন, শরীরের ‘কোর মাসল’ বা কেন্দ্রীয় পেশিগুলো দুর্বল হলে তার প্রভাব কণ্ঠস্বরের ওপরও পড়ে। তাই পেটের ভেতরের পেশিকে শক্তিশালী রাখা অত্যন্ত জরুরি।

ইমনের ভাষায়, ‘আমার গুরু বলতেন, নাভি থেকেই শব্দের উৎপত্তি। এখন বিষয়টি আমি নিজেও উপলব্ধি করি। শরীরের পেশি যত শক্তিশালী হবে, ততই দৃঢ় কণ্ঠে গান গাওয়া সহজ হবে।’

এ সময় সব সংগীতশিল্পীর প্রতি বিশেষ পরামর্শও দেন তিনি। ইমন বলেন, ‘আমি প্রত্যেক শিল্পীকে বলব, নিয়মিত যোগা, প্রাণায়াম এবং মেডিটেশন করুন। এগুলো শুধু শরীর নয়, কণ্ঠস্বরের জন্যও খুব উপকারী।’

শৈশব থেকেই ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত ও রবীন্দ্রসংগীতের তালিম নিয়েছেন ইমন। বর্তমানে তিনি পাশ্চাত্য সংগীতের প্রশিক্ষণও নিচ্ছেন। আর সেই প্রশিক্ষণ থেকেই কণ্ঠকে আরো কার্যকরভাবে ব্যবহার ও সংরক্ষণের নানা কৌশল শিখছেন বলে জানান তিনি।

সংগীতশিল্পী ও শিক্ষক-দুই ভূমিকাতেই শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতন করতে চান ইমন। তার মতে, একজন শিল্পীকে মঞ্চে টানা দুই থেকে তিন ঘণ্টা পারফর্ম করতে হয়। তাই দীর্ঘ সময় দম ধরে রাখা এবং শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘দম বাড়ানোর জন্য যেসব অনুশীলন প্রয়োজন, সেগুলোই আমি শিক্ষার্থীদের শেখানোর চেষ্টা করি। পাশ্চাত্য সংগীতের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েই এ বিষয়ে আরো বেশি সচেতন হয়েছি।’

ইমনের মতে, সুরের শুদ্ধতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গান গাওয়ার সময় দীর্ঘক্ষণ শ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে রাখার সক্ষমতাও একজন শিল্পীর জন্য অপরিহার্য। আর সেই সক্ষমতা গড়ে তুলতে নিয়মিত যোগাসন, প্রাণায়াম ও শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই।

এসি/আপ্র/০১/০৬/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা
২৮ জুলাই ২০২৬

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে, অঝোরে নামবে বুঝি শ্রাবণে ঝরায়ে’-আশির দশকের শেষভাগে প্রকাশিত ডিফ্রেন...

আতিফ আসলামের কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, আয়োজকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
২৮ জুলাই ২০২৬

আতিফ আসলামের কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, আয়োজকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় স্বরাষ্ট্র ম...

পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের ঢাকার কনসার্টে ভেন্যু পরিবর্তন, শর্তভঙ্গ ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে...

সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে গেলেন পরীমনি
২৮ জুলাই ২০২৬

সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে গেলেন পরীমনি

বাংলাদেশি তারকাদের মধ্যে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি অনুসারীর রেকর্ড এখন অভিনেত্রী পরীমনির দখলে। দীর্ঘদিন শী...

গান থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন আনুশেহ আনাদিল
২৭ জুলাই ২০২৬

গান থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন আনুশেহ আনাদিল

জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী আনুশেহ আনাদিল জানিয়েছেন, জটিল কানের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ায় ধীরে ধীরে শ্রবণশক্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 5 ঘন্টা আগে