গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

‘ইত্যাদি’ এবার লক্ষ্মীপুরে

বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১০ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২০:৫৩ এএম ২০২৬
‘ইত্যাদি’ এবার লক্ষ্মীপুরে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

নদীঘেরা উপকূলীয় জনপদ লক্ষ্মীপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যকে উপজীব্য করে ধারণ তৈরি হয়েছে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র নতুন পর্ব। 

বাংলাদেশ টেলিভিশন-বিটিভিতে শুক্রবার রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর ইত্যাদি প্রচার হবে। এই অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। আর নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। এক বিজ্ঞপ্তিতে ফাগুন অডিও ভিশন জানিয়েছে, স্টুডিওর চার দেয়াল পেরিয়ে দেশের নানা প্রান্তের লোকজ ইতিহাস, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরাই ইত্যাদির মূল লক্ষ্য। 

সেই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্বটি ধারণ করা হয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলা সদরের শতবর্ষ প্রাচীন দালাল বাজার জমিদারের স্মৃতিবহনকারী নবীন কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে। অনুষ্ঠান ধারণকে কেন্দ্র করে পুরো লক্ষ্মীপুরে ছিল উৎসবের আবহ। স্থানীয় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আমন্ত্রিত দর্শকরা দুপুরের পর থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে জড়ো হতে থাকেন। 

সেখানে এক পর্যয়ে জায়গা না হওয়ায় শত শত মানুষকে আশপাশের বহুতল ভবনের ছাদ, প্রাচীর ও গাছের ডালে বসেও অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেখা যায়। এবারের ইত্যাদিতে কবির বকুলের কথায় এবং আকাশ মাহমুদের সুর-সংগীতায়োজনে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন লক্ষ্মীপুরের সন্তান তানজিনা রুমা ও ফেনীর সাজিয়া সুলতানা পুতুল। 

এছাড়া মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় ও উজ্জ্বল সিনহার সুরে জেলা পরিচিতিমূলক একটি গানে তানজিনা রুমার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন রাজিব। স্থানীয় নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনায় এতে কোরিওগ্রাফি করেছেন এস কে জাহিদ। 

লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রিক দর্শক পর্বে স্থানীয় চারজন দর্শক অংশ নেন, যারা পরবর্তীতে অভিনেত্রী দিলারা জামানের সঙ্গে একটি নাট্যাংশে অভিনয় করেন।


অনুষ্ঠানে থাকছে এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী নিশাত মজুমদারের বিশেষ একটি সাক্ষাৎকার। এভারেস্ট জয়ের সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় তার হাতে শোভা পাচ্ছিল ‘ইত্যাদি’ লেখা একটি বিশেষ প্ল্যাকার্ড। 

সাক্ষাৎকারে পর্বতারোহণ ও ইত্যাদির স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। ইত্যাদির নিয়মিত প্রতিবেদনের মধ্যে এবার রয়েছে লক্ষ্মীপুরের সয়াবিন চাষ, নারিকেল ও সুপারি উৎপাদন এবং জেলার ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর ওপর বিশেষ তথ্যচিত্র। 

পাশাপাশি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরতে একটি স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং নদীভাঙনে নিঃস্ব হওয়া এক মাঝির জীবনসংগ্রাম নিয়ে রয়েছে মানবিক প্রতিবেদন। বিদেশি পর্বে থাকছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ফেরত সৈনিকদের তৈরি অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ‘গ্রেট ওশান রোড’ এর চিত্রায়ন।

 সামাজিক নানা অসংগতি নিয়ে ইত্যাদির নিয়মিত ব্যঙ্গাত্মক নাট্যাংশের পাশাপাশি থাকবে কাশেম টিভির রিপোর্টার ও নাতির নিয়মিত পর্ব।

 তাতে অভিনয় করেছেন সোলায়মান খোকা, শুভাশীষ ভৌমিক, আবদুল্লাহ রানা, শরাফ আহমেদ জীবন, মুকিত জাকারিয়া, সাইদুর রহমান পাভেলসহ অনেকে। অনুষ্ঠানটির শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন মুকিমুল আনোয়ার মুকিম।

ডিসি/আপ্র/৩০/০৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ঢাকার ভাষা রপ্ত করছেন কলকাতার মধুমিতা, জুটি বাঁধনের সঙ্গে
৩০ জুলাই ২০২৬

ঢাকার ভাষা রপ্ত করছেন কলকাতার মধুমিতা, জুটি বাঁধনের সঙ্গে

এপার বাংলা-ওপার বাংলার অভিনয় শিল্পীরা ফের এক হতে চলেছেন নতুন একটি সিনেমায়। অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন...

মানুষ আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়: বিয়ের প্রশ্নে পরীমণি
৩০ জুলাই ২০২৬

মানুষ আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়: বিয়ের প্রশ্নে পরীমণি

বছরজুড়ে নানা কারণে আলোচনায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের...

আবারও শেষ মুহূর্তে অনুপমের কনসার্ট বাতিল
৩০ জুলাই ২০২৬

আবারও শেষ মুহূর্তে অনুপমের কনসার্ট বাতিল

সব প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়ার পরও বাতিল করা হয়েছে কলকাতার শিল্পী অনুপম রায়ের কনসার্ট। আগামী...

জেন-জিদের বুঝতে ব্যর্থ বলিউড, কটাক্ষের মুখে সালমান
২৯ জুলাই ২০২৬

জেন-জিদের বুঝতে ব্যর্থ বলিউড, কটাক্ষের মুখে সালমান

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলকারীদের সমর্থন জানিয়ে একদিন পরেই আবার বাড়ি ফিরে যেতে বললেন বলিউড অভ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে