গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

গবেষণার ফলাফল

হামে আক্রান্ত শিশুদের ৬৫ শতাংশই অপুষ্টিতে ভুগছিল

স্বাস্থ্য ডেস্ক

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩২ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪৯ এএম ২০২৬
হামে আক্রান্ত শিশুদের ৬৫ শতাংশই অপুষ্টিতে ভুগছিল
ছবি

ছবি সংগৃহীত

হামে আক্রান্ত শিশুদের ৬৫ শতাংশই অপুষ্টিতে ভুগছিল। এর মধ্যে ১২ শতাংশ শিশু তীব্র অপুষ্টি এবং ৫৩ শতাংশ শিশু মাঝারি অপুষ্টিতে ভুগছিল। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট (বাশিহাই) ও আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে শিশুদের হাম নিয়ে করা গবেষণার ফলাফল অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

গবেষণায় হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩৫৪ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে দেখা যায়, আক্রান্ত শিশুদের ৪৩ শতাংশের বয়স ৩ থেকে ৯ মাসের মধ্যে। এসব শিশুর ৩৮ শতাংশ জন্মের পর প্রথম ছয় মাস পূর্ণাঙ্গভাবে মায়ের বুকের দুধ পায়নি। মারা যাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ৮২ শতাংশ। অর্থাৎ হামে মারা যাওয়া শিশুদের বড় একটি অংশ জীবনের প্রথম ছয় মাস পূর্ণাঙ্গভাবে মায়ের বুকের দুধ পায়নি।

গবেষকেরা বয়স ও টিকা নেওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪১ শিশুকে চারটি দলে ভাগ করেন। নিয়মিত টিকা পাওয়ার বয়স হয়নি এমন ৯ মাসের কম বয়সি ১৪৬ শিশুর মধ্যে ১৪২ জনের, অর্থাৎ ৯৭ দশমিক ৩ শতাংশের হাম শনাক্ত হয়।

টিকা নেওয়ার বয়স হলেও কোনো ডোজ না পাওয়া ১২৬ শিশুর মধ্যে ১২২ জনের বা ৯৭ শতাংশের হাম শনাক্ত হয়েছে। এক ডোজ টিকা নেওয়া ৪৮ শিশুর মধ্যে ৪৪ জনের বা ৯২ শতাংশ এবং দুই ডোজ টিকা নেওয়া ২১ শিশুর মধ্যে ১৬ জনের বা ৭৬ শতাংশের হাম শনাক্ত হয়েছে।

তবে এই ৭৬ শতাংশকে দুই ডোজ টিকা নেওয়া শিশুদের মধ্যে হাম আক্রান্ত হওয়ার হার হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। কারণ, গবেষণায় অংশ নেওয়া সব শিশুই সন্দেহভাজন হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ফলে দুই ডোজ টিকা নেওয়া ২১ জন সন্দেহভাজন রোগীর মধ্যে ১৬ জনের হাম শনাক্ত হওয়ার এই হিসাব শুধু ওই হাসপাতালভিত্তিক গবেষণায় অংশ নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

গবেষকেরা বলেন, দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরও ওই শিশুদের হাম শনাক্ত হওয়ার কারণ জানতে আরো গবেষণা প্রয়োজন। টিকা নেওয়ার পর পর্যাপ্ত রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি না হওয়া, সময়ের সঙ্গে অ্যান্টিবডির সুরক্ষা কমে যাওয়া, অপুষ্টি কিংবা ব্যক্তিভেদে অন্য কোনো কারণ এতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব সম্ভাব্য কারণের কোনটি সংক্রমণে ভূমিকা রেখেছে, তা বর্তমান গবেষণায় নির্ধারণ করা হয়নি।

সভায় বাশিহাই পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম এবং আইইডিসিআরের পরিচালক কাজী আহমেদ জাকী।

গবেষণার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাশিহাইয়ের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম এবং আইসিডিডিআর,বির জ্যেষ্ঠ পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান।

এসি/আপ্র/১৯/০৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ডেঙ্গুতে আরো ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৬১
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গুতে আরো ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৬১

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরো ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপা...

হৃদরোগীদের স্বাভাবিক শ্বাস নিতে পারা ভঙ্গিতে ঘুমানো উচিত
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হৃদরোগীদের স্বাভাবিক শ্বাস নিতে পারা ভঙ্গিতে ঘুমানো উচিত

স্বাস্থ্য প্রতিদিন===

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, নাগরিকের অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমান
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, নাগরিকের অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমান

দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জিয়...

দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ বাতের কষ্টে ভুগছেন
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ বাতের কষ্টে ভুগছেন

দেশের ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ বাতরোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে ২৪ দশমিক ৮...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই