গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

চাঁদ থেকে পৃথিবী সূর্যগ্রহণের বিরল ছবি প্রকাশ নাসার

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৪৬ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৭:২৮ এএম ২০২৬
চাঁদ থেকে পৃথিবী সূর্যগ্রহণের বিরল ছবি প্রকাশ নাসার
ছবি

ছবিতে পৃথিবীর অস্তগমন দেখা যাচ্ছে -ছবি নাসা

চাঁদের কক্ষপথে ঘুরে পৃথিবীর পথে ফেরার সময় আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীরা তোলা একাধিক বিরল মহাকাশচিত্র প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। এসব ছবিতে চাঁদের দিগন্তে পৃথিবীর অস্তগমন এবং মহাকাশ থেকে দেখা পূর্ণ সূর্যগ্রহণের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ধরা পড়েছে।

প্রকাশিত প্রথম ছবিতে দেখা যায়, চাঁদের এবড়োথেবড়ো পাহাড়ের আড়ালে পৃথিবী ধীরে ধীরে দিগন্তে মিলিয়ে যাচ্ছে, যা ‘পৃথিবীর অস্তগমন’ হিসেবে বর্ণিত। দ্বিতীয় ছবিতে ধরা পড়ে এক বিরল সূর্যগ্রহণ, যেখানে চাঁদের অবস্থানের কারণে সূর্য সম্পূর্ণভাবে আড়াল হয়ে যায় এবং মহাকাশচারীরা সেই অসাধারণ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, চাঁদ প্রদক্ষিণ শেষে নভোচারীরা পৃথিবীর দিকে ফিরছিলেন। তবে ছবিগুলো কোন নির্দিষ্ট নভোচারী তুলেছেন, তা পৃথকভাবে জানানো হয়নি।

এই ‘পৃথিবীর অস্তগমন’ ছবি ১৯৬৮ সালের অ্যাপোলো আট মিশনে বিল অ্যাণ্ডার্সের তোলা ঐতিহাসিক ‘পৃথিবীর উদয়’ ছবির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, যা মহাকাশ ইতিহাসের অন্যতম প্রতীকী চিত্র হিসেবে বিবেচিত।

ছয় ঘণ্টার এই ফ্লাইবাই অভিযানের সময় নভোচারীরা এসব ছবি ধারণ করেন। এ সময় মহাকাশযান চাঁদের অদৃশ্য পাশ দিয়ে অতিক্রম করায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।

নাসা জানায়, সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ছয়টা একচল্লিশ মিনিটে এবং বাংলাদেশ সময় রাত চারটা একচল্লিশ মিনিটে ওরিয়ন মহাকাশযানের জানালা দিয়ে পৃথিবীর অস্তগমনের ছবিটি তোলা হয়।

নাসার বর্ণনায় বলা হয়, ছবির অন্ধকার অংশে তখন পৃথিবীতে রাত বিরাজ করছিল। আলোকিত অংশে অস্ট্রেলিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের ওপর মেঘের বিস্তার দেখা যায়। ছবির সামনে চাঁদের একটি গর্তও দৃশ্যমান, যার কেন্দ্রভাগ তুলনামূলক সমতল এবং চারপাশে খাঁজকাটা উঁচু প্রান্ত রয়েছে, যা বড় আঘাতের ফলে সৃষ্ট ভূগঠনের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।

নভোচারীদের জন্য সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল সূর্যগ্রহণের দৃশ্য, যেখানে সূর্য সম্পূর্ণভাবে চাঁদের আড়ালে চলে যায়। নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার একে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির মতো এবং প্রায় অলৌকিক অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন, সূর্যের বাইরের স্তর বা করোনা অত্যন্ত উজ্জ্বলভাবে দৃশ্যমান ছিল, যা চাঁদের চারপাশে আলোর বলয় তৈরি করেছিল। একই সঙ্গে পৃথিবীকে অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং চাঁদকে নিকটবর্তী ভাসমান বস্তু হিসেবে দেখা যাচ্ছিল।
সানা/আপ্র/৮/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

রাজধানীর সড়কে বসছে আরো ১ হাজার স্মার্ট ক্যামেরা
২৮ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর সড়কে বসছে আরো ১ হাজার স্মার্ট ক্যামেরা

রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরো আধুনিক ও কার্যকর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামের...

এআই-নির্ভর ভিডিওতে আয়ের সুযোগ কমাচ্ছে ইউটিউব
২৮ জুলাই ২০২৬

এআই-নির্ভর ভিডিওতে আয়ের সুযোগ কমাচ্ছে ইউটিউব

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি নিম্নমানের ও বিভ্রান্তিকর ভিডিওর বিস্তার ঠেকাতে নীতিমালায় বড় পরি...

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে পাসওয়ার্ডভিত্তিক নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা
২৭ জুলাই ২০২৬

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে পাসওয়ার্ডভিত্তিক নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী করতে নতুন একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা আনতে কাজ করছে মেটা...

বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ আনছে ফেসবুক
২৫ জুলাই ২০২৬

বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ আনছে ফেসবুক

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়ার নতুন সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে মেটা। ‘ফে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 17 ঘন্টা আগে