গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

দ্রুতগতির নতুন রোভার পরীক্ষা করছে নাসা

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৩৮ পিএম, ২২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৪৭ এএম ২০২৬
দ্রুতগতির নতুন রোভার পরীক্ষা করছে নাসা
ছবি

এই রোভারটির বিশেষ সক্ষমতা হলো, এটি প্রতিটি চাকাকে আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী ওপরে তুলতে পারে -ছবি নাসা

চাঁদ ও মঙ্গল অভিযানে ভবিষ্যতে আরো দ্রুত ও কার্যকর চলাচলের সক্ষমতা আনতে নতুন প্রজন্মের রোভার পরীক্ষা করছে নাসা। নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে মঙ্গলে প্রথম রোভার অবতরণের পর থেকে নাসার বিভিন্ন রোভার একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করলেও গতি ও কঠিন ভূখণ্ডে চলাচলের সীমাবদ্ধতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

এ সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতেই যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো মরুভূমিতে ‘আর্নেস্ট’ নামের একটি পরীক্ষামূলক রোভার নিয়ে কাজ করছে নাসা। এর পূর্ণ নাম ‘এক্সপ্লোরেশন রোভার ফর ন্যাভিগেটিং এক্সট্রিম স্লোপড টেরেইন’। ভবিষ্যতে চাঁদ ও মঙ্গলের অভিযানে এটি ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি তৈরি করাই এর মূল লক্ষ্য।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মঙ্গলে ব্যবহৃত ছয় চাকার রোভারের পরিবর্তে আর্নেস্টে চারটি চাকা ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষামূলক সংস্করণটির দৈর্ঘ্য চার ফুট হলেও ভবিষ্যতের সংস্করণ হবে এর দ্বিগুণ আকারের।

এই রোভারটির বিশেষ সক্ষমতা হলো, এটি প্রতিটি চাকাকে আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী ওপরে তুলতে পারে। ফলে খাড়া ঢাল, পাথুরে বা বালিময় কঠিন ভূখণ্ডে চলাচল সহজ হয় এবং বাধা এড়িয়ে চলার সক্ষমতা বাড়ে।

নাসার সাম্প্রতিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রোটোটাইপটি সাত দিনে ৩৭ ঘণ্টারও বেশি সময় চালানো হয়েছে এবং প্রায় ১৬ মাইল পথ অতিক্রম করেছে। এর সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ০.৬ মাইল।

নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী জেমস কিন বলেন, এই রোভারটি ভবিষ্যতে চাঁদ বা মঙ্গলের বুকে দীর্ঘ বৈজ্ঞানিক অভিযানে সক্ষম ‘রোড ট্রিপ’-এর মতো কাজ করতে পারবে।

নাসা জানায়, প্রচলিত রোভারগুলো এখনো নিষ্ক্রিয় সাসপেনশন ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল, যা গতি ও ভারসাম্যে সীমাবদ্ধতা তৈরি করে। কিন্তু আর্নেস্টে সক্রিয় সাসপেনশন ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হচ্ছে, যা চলাচলকে আরো গতিশীল ও নিয়ন্ত্রিত করবে।

প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, সামনের দিকে থাকা শক্তিচালিত জয়েন্টের মাধ্যমে রোভারটি প্রয়োজন অনুযায়ী বাঁকা পথে চলা, চাকা তুলে বাধা অতিক্রম করা এবং বিভিন্ন ধরনের ভূখণ্ডে অভিযোজিত হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

নাসার মতে, রোভারটি স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের আরো উন্নত সক্ষমতা নিয়ে তৈরি হচ্ছে, যাতে পৃথিবী থেকে নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরতা কমে আসে এবং এটি আরো বিস্তীর্ণ এলাকায় দ্রুত গবেষণা চালাতে পারে।
সানা/আপ্র/২২/৬/২০২৬

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

অনিয়ন্ত্রিত এআই ঠেকাতে নিরাপত্তায় টেক জায়ান্টরা
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনিয়ন্ত্রিত এআই ঠেকাতে নিরাপত্তায় টেক জায়ান্টরা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবাধ বিকাশে বৈশ্বিক ঝুঁকির আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্...

যে যে উপায়ে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যে যে উপায়ে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই

আগামী এক দশকের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানবজাতিকে বিলুপ্ত করে দিতে পারে, এমন শঙ্কার কথা প্র...

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক

আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সের ক্যামেরায় এবার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে অ্যাপল। শুধু মেগা...

নিজের ছবিকে আশির দশকের লুকে সাজাবেন যেভাবে
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজের ছবিকে আশির দশকের লুকে সাজাবেন যেভাবে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আশির দশকের আদলে ছবি তৈরির প্রবণতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই