গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

এসি-ফ্রিজ ব্যবহারের ভুলেই বাড়ে বিদ্যুৎ বিল, যেভাবে সাশ্রয় করবেন

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৫৮ পিএম, ০৬ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৪:৩৬ এএম ২০২৬
এসি-ফ্রিজ ব্যবহারের ভুলেই বাড়ে বিদ্যুৎ বিল, যেভাবে সাশ্রয় করবেন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

গরমের সময়ে একটি পরিবারের সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় সাধারণত এসি ও ফ্রিজ ব্যবহারে। তবে শুধু আধুনিক বা ইনভার্টার প্রযুক্তির যন্ত্র ব্যবহার করলেই বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না। ব্যবহারের কিছু সাধারণ ভুলের কারণে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি সহজ অভ্যাস পরিবর্তন করলেই মাসিক বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রচলিত ভুল হলো তাপমাত্রা ১৬ বা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করা। এতে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় না, বরং কম্প্রেসর দীর্ঘ সময় সর্বোচ্চ ক্ষমতায় চলায় বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয়। আরামদায়ক পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উপযোগী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এসি চালু থাকা অবস্থায় দরজা-জানালা বারবার খোলা রাখলেও বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। বাইরে থেকে গরম বাতাস ঢুকে পড়লে ঘর পুনরায় ঠান্ডা করতে এসিকে বেশি সময় কাজ করতে হয়। পাশাপাশি জানালার পর্দা টেনে রাখলে সরাসরি রোদের তাপ কম প্রবেশ করে, ফলে এসির ওপর চাপও কমে।

এ ছাড়া দীর্ঘদিন এসির ফিল্টার পরিষ্কার না করলে ধুলাবালিতে বাতাস চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। এতে একই মাত্রার শীতলতা পেতে যন্ত্রকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তাই দুই থেকে চার সপ্তাহ পরপর ফিল্টার পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ফ্রিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু অসতর্কতা বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দেয়। গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখলে ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং কম্প্রেসর দীর্ঘ সময় চালু থাকে। তাই খাবার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হওয়ার পর ফ্রিজে রাখা উচিত।

এ ছাড়া প্রয়োজন ছাড়া বারবার ফ্রিজের দরজা খোলা বা দীর্ঘ সময় খোলা রাখলে বাইরের উষ্ণ বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে। সেই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যয় হয়।

ফ্রিজ দেয়ালের একেবারে সঙ্গে লাগিয়ে রাখাও ঠিক নয়। পেছনের অংশ দিয়ে তাপ বের হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা প্রয়োজন। তাই ফ্রিজের পেছনে ও দুই পাশে কিছুটা ফাঁকা স্থান রাখা উচিত।

পুরোনো বা নন-ফ্রস্ট ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমলে শীতল করার ক্ষমতা কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই নিয়মিত ডিফ্রস্ট করাও গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসি ও ফ্রিজ নিয়মিত সার্ভিসিং, সঠিক তাপমাত্রা নির্বাচন এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার এড়িয়ে চলাই বিদ্যুৎ বিল কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। ছোট ছোট এসব অভ্যাস বদলালেই মাস শেষে বিদ্যুৎ খরচে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব।

এসি/আপ্র/০৬/০৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

অনিয়ন্ত্রিত এআই ঠেকাতে নিরাপত্তায় টেক জায়ান্টরা
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনিয়ন্ত্রিত এআই ঠেকাতে নিরাপত্তায় টেক জায়ান্টরা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবাধ বিকাশে বৈশ্বিক ঝুঁকির আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্...

যে যে উপায়ে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যে যে উপায়ে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই

আগামী এক দশকের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানবজাতিকে বিলুপ্ত করে দিতে পারে, এমন শঙ্কার কথা প্র...

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক

আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সের ক্যামেরায় এবার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে অ্যাপল। শুধু মেগা...

নিজের ছবিকে আশির দশকের লুকে সাজাবেন যেভাবে
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজের ছবিকে আশির দশকের লুকে সাজাবেন যেভাবে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আশির দশকের আদলে ছবি তৈরির প্রবণতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই