গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দাপট, উদ্বেগ ইউনিসেফের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:৩২ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৬:২৬ এএম ২০২৬
স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দাপট, উদ্বেগ ইউনিসেফের
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বড় শহরগুলোর প্রতি ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯টিই এমন এলাকার কাছে অবস্থিত, যেখানে শিশুরা সহজেই অস্বাস্থ্যকর খাবার কিনতে পারে। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস, মিষ্টি, চিপস ও কোমল পানীয়। জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন উদ্বেগজনক তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতখরচের টাকা দিয়ে খাবার বা পানীয় কেনার সময় শিশুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অস্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেয়। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের কেনা খাবারের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৭৫ শতাংশ, অস্বাস্থ্যকর। স্কুলের বিরতির সময় সসেজ রোল, ক্যান্ডি, চিপস ও কোমল পানীয়ের মতো খাবার সহজেই হাতের নাগালে পাচ্ছে তারা।

স্কুলের কাছে অস্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা

বিষয়টিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন ডাচ ফুড সেন্টারের প্রতিনিধি লিসবেথ ভেলেমা। ডাচ সংবাদমাধ্যম এনওএসকে তিনি বলেন, স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা উদ্বেগের কারণ। তার মতে, চিনিযুক্ত বা চর্বিসমৃদ্ধ খাবারের তুলনায় স্বাদে কম আকর্ষণীয় হতে পারে—এমন স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া শিশুদের জন্য কঠিন।

বর্তমানে স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির ওপর নির্দিষ্ট কোনো আইনি নিষেধাজ্ঞা বা নিয়মকানুন নেই। তবে স্থানীয় পৌরসভাগুলো পরিস্থিতির পরিবর্তন চায়। তাদের মতে, এ ক্ষেত্রে কঠোর আইন কার্যকর করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিশুদের কাছে স্বাস্থ্যকর খাবার পৌঁছে দিতে সুপারমার্কেটগুলোকেও আরো বেশি ভূমিকা রাখতে হবে।

গবেষণায় উঠে এসেছে একই চিত্র

চলতি মাসের শুরুর দিকে আমস্টারডাম ইউএমসির পরিচালিত এক গবেষণাতেও একই ধরনের চিত্র পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় ৯৪ শতাংশ মাধ্যমিক ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দোকান রয়েছে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৪টি পৌরসভার একটি জোট তাদের নিজ নিজ এলাকায় নতুন দোকান বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দাবি করেছে।

আলমেয়ারে, আমস্টারডাম, ডেন বস, লাইডেন, রটারডাম, উট্রেখট, দ্য হেগ, ব্রেডা, গ্রোনিঙ্গেন ও টিলবার্গ শহরের খাবারের দোকান ও খাদ্যপণ্য নিয়ে গবেষণাটি চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, প্রতিটি শহরেই স্বাস্থ্যকর খাবারের তুলনায় অস্বাস্থ্যকর খাবারের আধিপত্য বেশি।

শিশুদের খাদ্যাভ্যাস ও সুস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে স্কুলের আশপাশে খাবারের দোকান নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা বৃদ্ধি এবং এ বিষয়ে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জোরালো হচ্ছে।

সূত্র: এনএল টাইমস

এসি/আপ্র/১৪/১০/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

বাংলাদেশের আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছে ভারতের তরুণেরা
১৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছে ভারতের তরুণেরা

ভারতে চলমান তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন বাংলাদেশের আন্দোলন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতে...

মমতা ব্যানার্জীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা
১৪ অক্টোবর ২০২৬

মমতা ব্যানার্জীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর কলকাতার কালীঘাটের বাড়ির সামনে তার ওপর ছুরি নিয়ে আক্...

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাত ধরে সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিতে বাজিমাত
১৪ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাত ধরে সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিতে বাজিমাত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ও প্রযুক্তিপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে স...

অর্থপাচার ও নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনে ব্যাংক অব আমেরিকাকে ১২১ কোটি ডলার জরিমানা
১৪ অক্টোবর ২০২৬

অর্থপাচার ও নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনে ব্যাংক অব আমেরিকাকে ১২১ কোটি ডলার জরিমানা

অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক ব্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে