গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মেনু

৪৪ বছর পর সৈকতে মিলল হারানো স্কুলজীবনের আংটি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:২০ পিএম, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৪২ এএম ২০২৬
৪৪ বছর পর সৈকতে মিলল হারানো স্কুলজীবনের আংটি
ছবি

৪৪ বছর পর খুঁজে পাওয়া আংটির ছবি ভিডিও থেকে সংগৃহীত

৪৪ বছর আগে সমুদ্রসৈকতে হারিয়ে যাওয়া একটি আংটি অবশেষে ফিরে পেলেন তার মালিক। ঘটনাটি যেন কাকতাল আর স্মৃতির মিশেলে এক আবেগঘন গল্প। যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে ১৯৮২ সালে হারানো সেই আংটিটির সন্ধান মিলেছে ২০২৬ সালে এসে।

ঘটনার নায়ক ড্যারিয়েন ল্যানডার। ১৯৮২ সালে তিনি ছিলেন পাস ক্রিশ্চিয়ান হাইস্কুলের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দভ্রমণে গিয়েছিলেন নিজ শহর পাস ক্রিশ্চিয়ানের সমুদ্রসৈকতে। সেই সময় স্কুল থেকে পাওয়া স্মৃতিবাহী একটি আংটি তাঁর আঙুল থেকে ফসকে পড়ে বালুর মধ্যে হারিয়ে যায়।

বন্ধুদের সহায়তায় সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। বালু খুঁড়ে আংটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। এমনকি স্কুলের সহকারী প্রধান মেটাল ডিটেক্টর নিয়েও সাহায্যে এগিয়ে আসেন। কিন্তু যত চেষ্টা, ততই আংটিটি বালুর আরও গভীরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়ে সেদিনের মতো হাল ছেড়ে দিতে বাধ্য হন ল্যানডার।

এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৪৪ বছর। সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন, স্মৃতির পাতায় রয়ে গেছে সেই হারানো আংটির গল্প। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, চলতি বছরের গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বার্তা পেয়ে অবাক হয়ে যান ল্যানডার। বার্তাটি পাঠান সামি জুয়েল নামের এক ব্যক্তি। তিনি জানান, সমুদ্রসৈকতে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে মূল্যবান জিনিসের সন্ধান করতে গিয়ে একটি আংটি পেয়েছেন এবং সেটি প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দিতে চান।

স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম ডব্লিউএলওএক্স–টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ল্যানডার বলেন, ‘শুনে বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না।’ আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো—যে জায়গায় আংটিটি হারিয়েছিল, ঠিক সেই স্থান থেকেই সেটি উদ্ধার করা হয়েছে।

ল্যানডার জানান, ১৯৮২ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসের কোনো এক সময়ে তিনি আংটিটি হারান। এরপর চার দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এই সময়ে ওই এলাকায় আঘাত হেনেছে অন্তত সাতটি হারিকেন ও অসংখ্য শক্তিশালী ঝড়। সৈকতে চালানো হয়েছে ভারী যন্ত্রপাতিও। এত প্রতিকূলতার পরও আংটিটি প্রায় অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ‘ছোট্ট একটি আঁচড় ছাড়া আংটিটির তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি,’ বলেন তিনি।

এক টুকরো ধাতব আংটি হয়তো বস্তুগতভাবে খুব মূল্যবান নয়, কিন্তু ল্যানডারের কাছে এটি স্কুলজীবনের স্মৃতি ও সময়ের সাক্ষী। ৪৪ বছর পর সমুদ্রের বালু থেকে ফিরে পাওয়া সেই স্মৃতিই আজ তাঁর জীবনের এক অনন্য গল্প হয়ে উঠেছে।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/৭/২/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

‘কৃত্রিম সূর্য’ তৈরির যাত্রায় চীনের বড় অগ্রগতি
২৮ জুলাই ২০২৬

‘কৃত্রিম সূর্য’ তৈরির যাত্রায় চীনের বড় অগ্রগতি

পরমাণু সংযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বনমুক্ত ও প্রায় সীমাহীন পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যে বড়...

নভেম্বর পর্যন্ত জ্বলতে পারে ইউরোপ, রেকর্ড দাবানলের শঙ্কা
২৮ জুলাই ২০২৬

নভেম্বর পর্যন্ত জ্বলতে পারে ইউরোপ, রেকর্ড দাবানলের শঙ্কা

ইউরোপজুড়ে চলতি বছরের দাবানল পরিস্থিতি আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপীয় কমিশন। সংস্থাটি...

শতবর্ষী বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল পুরোনো নোটের গুপ্তধন
২৮ জুলাই ২০২৬

শতবর্ষী বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল পুরোনো নোটের গুপ্তধন

পুরোনো বাড়ির গোপন দেয়াল ভেঙে মিলেছে বহু বছর ধরে লুকিয়ে রাখা অর্থের সন্ধান। যুক্তরাজ্যের শেফিল্ডের এক...

পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন মোজতবা খামেনি, জানালেন শ্বশুর
২৮ জুলাই ২০২৬

পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন মোজতবা খামেনি, জানালেন শ্বশুর

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই