গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: এক্সিওস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫১ পিএম, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৮:০৮ এএম ২০২৬
৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: এক্সিওস
ছবি

ছবি সংগৃহীত

গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধরত ইরান ও ইসরায়েল শিগগিরই ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পরে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সূত্রের বরাত দিয়ে সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মাার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর এবং গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালী থেকে অবরোধ তুলতে মার্চের শেষ দিকে ইরানকে ১০ দিনের ডেডলাইন দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই ডেডলাইন শেষ হচ্ছে আজ সোমবার।

এদিকে রোববার ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি বলেছেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি ইরান হরমুজ প্রণালি থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিতে না আসে, তাহলে দেশটির সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের সূত্রগুলো এক্সিওসকে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এসব আল্টিমেটাম-ডেডলাইন ইরান মেনে নেবে— এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ, বরং এই ৪৫ দিনের সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতিই এই যুদ্ধের উত্তেজনা নাটকীয়ভাবে হ্রাস করতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ৪৫ দিনের এই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি হবে দুই স্তরের। ইরান যদি ইতিবাচক সাড়া দেয়, তাহলে প্রথম স্তরে ৪৫ দিন পরস্পরকে লক্ষ্য করে হামলা করা থেকে বিরত থাকবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। এবং প্রথম স্তরেই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে আলাপ-আলোচনা শুরু হবে ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে। আশা করা হচ্ছে, এই ৪৫ দিনের আলোচনা ৩ দেশকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দিকে নিয়ে যাবে।

মার্কিন-ইসরায়েলি ও মধ্যপ্রাচ্যের সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রস্তাবিত ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে।

এদিকে গতকাল রোববার এক্সিওসকে দেওয়া এক সক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও স্বীকার করেছেন যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ‘গভীর আলোচনা’ চলছে এবং তার ঘোষিত ডেডলাইন পেরোনোর আগেই এই আলোচনার ফলাফল মিলবে বলে আশা করছেন তিনি।

“একটি ভালো সুযোগ ইরানের সামনে আছে, কিন্তু যদি তারা কোনো সমঝোতা চুক্তিতে না পৌঁছায়— আমি ইরানের সবকিছু উড়িয়ে দেবো”, এক্সিওসকে বলেছেন ট্রাম্প।

সূত্র : এক্সিওস

এসি/আপ্র/০৬/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

শিক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কার
২৯ জুলাই ২০২৬

শিক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কার

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো ও শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি নিয়েও শুরু...

চীনা মানবসদৃশ রোবট আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
২৯ জুলাই ২০২৬

চীনা মানবসদৃশ রোবট আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

চীনে তৈরি নতুন মানবসদৃশ ও চার পায়ের অত্যাধুনিক রোবট আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। জ...

পাঁচ বছর পর ১০৩৩ কিলোমিটার দূরে মিলল পোষা কুকুর
২৯ জুলাই ২০২৬

পাঁচ বছর পর ১০৩৩ কিলোমিটার দূরে মিলল পোষা কুকুর

পাঁচ বছর আগে হঠাৎ করেই বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া একটি পোষা কুকুরকে অবশেষে খুঁজে পেয়েছে তার মালিক পরিবার...

১৪ লাখ বছর আগেও আলাদা ছিল নারী-পুরুষের ভূমিকা
২৯ জুলাই ২০২৬

১৪ লাখ বছর আগেও আলাদা ছিল নারী-পুরুষের ভূমিকা

আফ্রিকার কেনিয়ার তুর্কানা হ্রদের তীরে পাওয়া প্রায় ১৪ লাখ বছরের পুরোনো কিছু পায়ের ছাপ মানব বিবর্তনের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে