গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

গরু আমাদের মা, গোমাতা আমাদের রাষ্ট্রমাতা: যোগী আদিত্যনাথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:০১ পিএম, ০৩ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২১:০৩ এএম ২০২৬
গরু আমাদের মা, গোমাতা আমাদের রাষ্ট্রমাতা: যোগী আদিত্যনাথ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

গরু নিয়ে আরো একবার মুসলিমদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সম্প্রতি সরকারি এক অনুষ্ঠানে বিজেপির এই নেতা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ভারতীয় ঐতিহ্যে ‘গরু মা হিসেবে’ পূজনীয়। ‘গোমাতার’ প্রতি যাতে কোনো অসম্মান করা না হয়, সে বিষয়ে মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের উচিত তাদের অনুসারীদের সতর্ক করা।

মঙ্গলবার (২ জুন) দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ডেকান হেরাল্ডসহ বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। 

গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুসারে, সম্প্রতি গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন দেশটির বেশ কিছু মুসলিম নেতা। জমিয়ত উলেমা-এ-হিন্দের সভাপতি মৌলানা আরশাদ মাদানি ও কিছু মুসলিম সংগঠন গরুকে ‘ভারতের জাতীয় পশু’ ঘোষণার এ দাবি তুলেছিলেন।

গত সোমবার এক সরকারি অনুষ্ঠানে সেই প্রসঙ্গ টেনেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘মায়ের সম্মান রক্ষার কথা সন্তানকে আলাদা করে শিখিয়ে দিতে হয় না। এ দেশের মানুষ নিজের মা এবং গরুকে সমান শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। যারা গরুকে পশু বলেন, তারা আদতে গো-হত্যাকেই সমর্থন করেন।’

তিনি বলেন, গরু আমাদের মা। সে নিছক কোনো পশু নয়। গোমাতাকে ‘পশু’ আখ্যা দিলে বুঝতে হবে আপনাদের মানসিকতাই পাশবিক। গোমাতা আমাদের রাষ্ট্রমাতা। এর জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণার প্রয়োজন নেই।

এসময় আদিত্যনাথ বলেন, ‘আজকাল অনেকে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণার দাবি তুলছেন। কিন্তু আমরা বলি, গরু আমাদের মাতা। তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক জন্মান্তরের।’

অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ পাকিস্তান থেকে বাস্তুচ্যুত ১ হাজার ৬৪৫টি পরিবার, প্রাক্তন সৈনিক এবং ইজারাদারদের মধ্যে জমির মালিকানার সনদ বিতরণ করেন।

পাকিস্তান থেকে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশভাগের সময় ধর্মীয় চরমপন্থার কারণে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং এর ফলে নিরীহ হিন্দু ও শিখদের গণহত্যা সংঘটিত হয়। অবশেষে, কয়েক দশক পর সেই বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর চতুর্থ প্রজন্ম জমির মালিকানার অধিকার পাচ্ছে।

এছাড়া, উত্তর প্রদেশ সরকার এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই সনদপত্রগুলো ১ হাজার ৬৪৫টি পরিবারের প্রায় ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার সদস্যকে উপকৃত করবে। বাকি বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্যও এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এসি/আপ্র/০৩/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

শিক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কার
২৯ জুলাই ২০২৬

শিক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কার

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো ও শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি নিয়েও শুরু...

চীনা মানবসদৃশ রোবট আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
২৯ জুলাই ২০২৬

চীনা মানবসদৃশ রোবট আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

চীনে তৈরি নতুন মানবসদৃশ ও চার পায়ের অত্যাধুনিক রোবট আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। জ...

পাঁচ বছর পর ১০৩৩ কিলোমিটার দূরে মিলল পোষা কুকুর
২৯ জুলাই ২০২৬

পাঁচ বছর পর ১০৩৩ কিলোমিটার দূরে মিলল পোষা কুকুর

পাঁচ বছর আগে হঠাৎ করেই বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া একটি পোষা কুকুরকে অবশেষে খুঁজে পেয়েছে তার মালিক পরিবার...

১৪ লাখ বছর আগেও আলাদা ছিল নারী-পুরুষের ভূমিকা
২৯ জুলাই ২০২৬

১৪ লাখ বছর আগেও আলাদা ছিল নারী-পুরুষের ভূমিকা

আফ্রিকার কেনিয়ার তুর্কানা হ্রদের তীরে পাওয়া প্রায় ১৪ লাখ বছরের পুরোনো কিছু পায়ের ছাপ মানব বিবর্তনের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 21 ঘন্টা আগে