গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

অনুমোদন মেলেনি ভারতের, নেপাল থেকে বাংলাদেশে আসছে না বাড়তি বিদ্যুৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:২৪ পিএম, ১৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৪:১৯ এএম ২০২৬
অনুমোদন মেলেনি ভারতের, নেপাল থেকে বাংলাদেশে আসছে না বাড়তি বিদ্যুৎ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আগামী ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল। যদিও ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির কথা ছিল। কিন্তু ভারতের অনুমোদন না মেলায় এ বাড়তি বিদ্যুৎ ঢাকায় আসছে না। রোববার (১৪ জুন) দেশটির জ্বালানি কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

তারা বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) বিদ্যুৎ পরিবহন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণ দেখিয়ে অনুমোদন স্থগিত করে দিয়েছে।

এই কর্মকর্তারা আরো জানিয়েছেন, নতুন একটি সংশোধিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি, নেপাল-ভারতের জ্বালানি বিভাগের সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তসহ আরো কিছু বিষয় এখনো সম্পন্ন করা বাকি।

বর্ষা মৌসুমে নেপাল তার বাড়তি বিদ্যুৎ বাংলাদেশ ও ভারতে রপ্তানি করে। অপরদিকে শীতকালে ভারত থেকে তারা উল্টো বিদ্যুৎ আমদানি করে।

২০২৫ সালে ২৭ নভেম্বর ঢাকায় নেপাল-ভারতের সচিব পর্যায়ের কমিটির একটি বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির বিদ্যমান চুক্তির বাইরে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির চুক্তি হয়। এছাড়া ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়টির অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার ব্যাপারেও সবাই একমত হয়।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থা লিমিটেডের কাছে বাংলাদেশে বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যবস্থার অনুরোধ জানায়।

কিন্তু ভারতের বিদুৎ বাণিজ্য সংস্থা নেপালকে জানায়, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের যে লাইন আছে সেটি দিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়।

নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক বাহাদুর থাপা বলেছেন, “এবার বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে। যদিও বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়নি, কিন্তু আগের ৪০ মেগাওয়াটের মতো আমরা ভারতে বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থার মাধ্যমে এই বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু তারা জানায়, বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির মতো সক্ষমতা তাদের নেই।”

এখন বাংলাদেশে বাড়তি এই বিদ্যুৎ রপ্তানি নিয়ে নেপাল ও ভারতকে আবারো আলোচনায় বসতে হবে। কিন্তু এ আলোচনা কবে হবে সেটি এখনো ঠিক হয়নি।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যাপারে চুক্তি হয়। ওই বছরের ১৫ নভেম্বর প্রথমবার দেশটি বাংলাদেশে বিদুৎ পাঠায়। ওইদিন ১২ ঘণ্টা তারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। নেপালের বিদ্যুৎ ঢালকেবার-মুজাফ্ফরপুর ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে প্রথমে ভারতে যায়। এরপর বহরমপুর-ভেড়ামারা ৪০০ কেভি লাইন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

এসি/আপ্র/১৪/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে সম্মত মিয়ানমার
৩০ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে সম্মত মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্...

মোদিকে ‘গদি’ ছাড়তে বললেন ‘তেলাপোকা পার্টির’ প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ
৩০ জুলাই ২০২৬

মোদিকে ‘গদি’ ছাড়তে বললেন ‘তেলাপোকা পার্টির’ প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ

টানা ৩৭ দিনের তীব্র আন্দোলন শেষে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চেয়ার ছেড়ে দিতে বললেন দেশ...

আর্জেন্টিনায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৭
৩০ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৭

আর্জেন্টিনার পশ্চিমাঞ্চলীয় সান জুয়ান প্রদেশে দাবানল নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পথে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হ...

পাকিস্তানে অভিযানে ৩ পুলিশসহ ৪৪ সন্ত্রাসী নিহত
৩০ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানে অভিযানে ৩ পুলিশসহ ৪৪ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে