গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

ভেবেছিলাম মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:২৬ পিএম, ০৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৯:০৯ এএম ২০২৬
ভেবেছিলাম মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করে: ট্রাম্প
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে সাধারণ নাগরিকদের কান্নাকাটি ও স্বতঃস্ফূর্ত শোক প্রকাশ করতে দেখে গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম ইরানের সাধারণ মানুষ তাদের এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাকে তীব্র ঘৃণা করে। 

রোববার(৫ জুলাই) পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডন-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া একটি বিশেষ টেলিফোন সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের এই প্রতিক্রিয়ার কথা জানান। খামেনির প্রয়াণে ইরানিদের আবেগের চিত্র দেখে নিজের আগের ধারণা ভুল প্রমাণিত হওয়ার কথা স্বীকার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে’। দৃশ্যটি দেখে ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল, ‘হতে পারে এগুলো ভুয়ো কান্না’।

একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক সুরে দাবি করেন যে ওই শেষকৃত্যানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বসহ সমস্ত মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। 

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘তারা সবাই সেখানে রয়েছে। একটি মাত্র আঘাতে আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারি’। তবে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই যোগ করেন যে এই ধরনের কোনো চরম পদক্ষেপ তিনি নিতে চান না। কারণ তেমন কিছু করলে পরবর্তীতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য ওপাশে আর কোনো মানুষই অবশিষ্ট থাকবে না। মূলত এই কারণেই তিনি এই ধরনের সামরিক হুমকি বাস্তবায়ন করা থেকে বিরত থাকছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট অ্যাক্সিওসকে আরো জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের উভয় পক্ষই খামেনির শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘শেষকৃত্যের এই অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো পক্ষই একে অপরের ওপর কোনো ধরনের গুলিবর্ষণ বা সামরিক হামলা চালাবে না’। 

তিনি দাবি করেন, ইরান একটি চুক্তির জন্য রীতিমতো ব্যাকুল হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সদ্ব্যবহারের অংশ হিসেবেই জানাজা চলাকালীন এই এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি দেওয়া হয়েছে।

এসি/আপ্র/০৫/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

পাক-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সহিংসতা, নিহত ২০
২৯ জুলাই ২০২৬

পাক-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সহিংসতা, নিহত ২০

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাওয়ালাকোটে নির্বাচন বর্জন আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ...

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
২৯ জুলাই ২০২৬

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে ইঙ্গিত করে ‘চোর’ ও ‘দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী’ বলে মন্তব্...

‘কৃত্রিম সূর্য’ তৈরির যাত্রায় চীনের বড় অগ্রগতি
২৮ জুলাই ২০২৬

‘কৃত্রিম সূর্য’ তৈরির যাত্রায় চীনের বড় অগ্রগতি

পরমাণু সংযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বনমুক্ত ও প্রায় সীমাহীন পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যে বড়...

নভেম্বর পর্যন্ত জ্বলতে পারে ইউরোপ, রেকর্ড দাবানলের শঙ্কা
২৮ জুলাই ২০২৬

নভেম্বর পর্যন্ত জ্বলতে পারে ইউরোপ, রেকর্ড দাবানলের শঙ্কা

ইউরোপজুড়ে চলতি বছরের দাবানল পরিস্থিতি আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপীয় কমিশন। সংস্থাটি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 9 ঘন্টা আগে