গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মেনু

পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১১ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১২:০৫ এএম ২০২৬
পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার
ছবি

বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার -ছবি সংগৃহীত

হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। তাদের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারপতি মামনুন রহমান গত ২ ফেব্রুয়ারি ই-মেইলে পাঠানো পত্রের মাধ্যমে এবং বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাদের পদত্যাগপত্র দুটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।


আইনজীবী রেজাউর রহমানের ছেলে মামনুন রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং এলএলএম অর্জন করেন। তিনি ১৯৮৯ সালের ২৬ নভেম্বর জেলা আদালতে, ১৯৯০ সালের ২৯ মে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে এবং ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।


২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হন এবং ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট একই বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। মামনুন রহমান ১৯৯০ সালে ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ, ১৯৯৭ সালে ভারতের নয়াদিল্লি, ২০০৭ সালে ভারতের কলকাতা এবং ২০০৯ সারে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার এবং স্টাডি সেশনে অংশগ্রহণ করেন। 

 

তিনি নেপাল, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, ফ্রান্স এবং কানাডা সফর করেছেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। 

 

এছাড়াও তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলি বা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। 

 

১৯৯৩ সালে হাই কোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। পরে ২০০৯ সালে হাই কোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

 

 

ডিসি/আপ্র/০৯/০২/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
১৯ মে ২০২৬

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট

রাজধানী ঢাকার রাস্তায় ও ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ দেওয়া কেন অবৈধ ও বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে র...

সৌদি প্রবাসীকে ৭ টুকরা করেন পরকীয়া প্রেমিকা
১৮ মে ২০২৬

সৌদি প্রবাসীকে ৭ টুকরা করেন পরকীয়া প্রেমিকা

রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকা থেকে উদ্ধার খণ্ডিত মরদেহের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয়...

আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ
১৮ মে ২০২৬

আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ

সম্প্রতি বেশকয়েকটি সাক্ষাৎকারে শেয়ার মার্কেটের দুর্নীতির তদন্ত চেয়েছেন সাকিব আল হাসান। এর মধ্যেই আড়া...

আরো দুই মামলায় আইভীর জামিন বহাল
১৭ মে ২০২৬

আরো দুই মামলায় আইভীর জামিন বহাল

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আরো দুই হত্যা মা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ সুদহার নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টের রুল জারি

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। আপনি কি মনে করেন- গ্রামীণ ব্যাংক সবচেয়ে চড়া সুদ আদায় করে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে