গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১১ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১১:১৯ এএম ২০২৬
পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার
ছবি

বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার -ছবি সংগৃহীত

হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। তাদের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারপতি মামনুন রহমান গত ২ ফেব্রুয়ারি ই-মেইলে পাঠানো পত্রের মাধ্যমে এবং বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাদের পদত্যাগপত্র দুটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।


আইনজীবী রেজাউর রহমানের ছেলে মামনুন রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং এলএলএম অর্জন করেন। তিনি ১৯৮৯ সালের ২৬ নভেম্বর জেলা আদালতে, ১৯৯০ সালের ২৯ মে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে এবং ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।


২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হন এবং ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট একই বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। মামনুন রহমান ১৯৯০ সালে ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ, ১৯৯৭ সালে ভারতের নয়াদিল্লি, ২০০৭ সালে ভারতের কলকাতা এবং ২০০৯ সারে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার এবং স্টাডি সেশনে অংশগ্রহণ করেন। 

 

তিনি নেপাল, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, ফ্রান্স এবং কানাডা সফর করেছেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। 

 

এছাড়াও তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলি বা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। 

 

১৯৯৩ সালে হাই কোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। পরে ২০০৯ সালে হাই কোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

 

 

ডিসি/আপ্র/০৯/০২/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর
২৯ অক্টোবর ২০২৬

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল...

মানবতাবিরোধী অপরাধ: মাহবুব-উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড
২৯ অক্টোবর ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধ: মাহবুব-উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম ন...

ট্রাকচালক হোসেন হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু
২৬ অক্টোবর ২০২৬

ট্রাকচালক হোসেন হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক মো. হোসেন হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যু...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে