গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

আদালতে শিরীন শারমিন, কারাগারে পাঠানোর আবেদন

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:২৯ পিএম, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৬:৫৯ এএম ২০২৬
আদালতে শিরীন শারমিন, কারাগারে পাঠানোর আবেদন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর লালবাগে মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেফতার সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ঢাকার আদালতে তোলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আনা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে তাকে আদালত প্রাঙ্গণে আনা হলে প্রথমে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাবেক এই স্পিকারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে এই বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে আজ মঙ্গলবার ভোররাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি আত্মীয়র বাসা থেকে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এন এম নাসির উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। শিরীন শারমিন চৌধুরী রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন এবং টানা তিন মেয়াদে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায় যে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে একটি মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন ভুক্তভোগী আশরাফুল। সেই সময় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার বাম চোখটি নষ্ট হয়ে যায়।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী নিজে। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ওই মামলার অন্যতম আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরো একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সাবেক এই স্পিকারকে আদালতে হাজির করাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই আদালত চত্বরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

শিরীন শারমিন চৌধুরীর আইনজীবী পক্ষ জামিনের আবেদন করবেন কি না, তা নিয়ে আদালত পাড়ায় ব্যাপক কৌতূহল বিরাজ করছে। ৫ আগস্টের পর থেকে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের গ্রেফতারের ধারাবাহিকতায় এটি একটি বড় ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এসি/আপ্র/০৭/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
২৯ জুলাই ২০২৬

ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় মাগুরার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এবং বর্তমানে ও...

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের, বাজার তদারকিতে নতুন চাপ
২৮ জুলাই ২০২৬

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের, বাজার তদারকিতে...

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে উদ্ব...

সম্পদের হিসাব গোপন: সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড
২৮ জুলাই ২০২৬

সম্পদের হিসাব গোপন: সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দেওয়ার দায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর...

বিয়ের প্রলোভনে আটকে রেখে ধর্ষণ, তরুণী হত্যার অভিযোগে মামলা
২৮ জুলাই ২০২৬

বিয়ের প্রলোভনে আটকে রেখে ধর্ষণ, তরুণী হত্যার অভিযোগে মামলা

রাজধানীর আদাবরে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ফটোগ্রাফার নাম...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 11 ঘন্টা আগে