গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

শেখ হাসিনার মামলায় ১২ হাজার কোটি টাকা লেনদেনের দাবিকারীকে গ্রেফতারের নির্দেশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৪২ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৭:২৫ এএম ২০২৬
শেখ হাসিনার মামলায় ১২ হাজার কোটি টাকা লেনদেনের দাবিকারীকে গ্রেফতারের নির্দেশ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলাকে ঘিরে ১২ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় এমএইচ পাটোয়ারী বাবু নামে একজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে পোস্টে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ারকারীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত অবমাননার অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

প্রায় তিন দিন আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টটি করেন বাবু। পোস্টে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনিরের ছবি জুড়ে দেন তিনি।

পোস্টে বাবু লেখেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে সাজানো মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিতে বিভিন্ন দেশ ও গোষ্ঠীর কাছ থেকে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা খেয়েছে আসিফ নজরুল, শিশির মনির, তাজুল ইসলাম, বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব করে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ পরিবর্তন করে ইতোমধ্যে অবৈধ ক্যাঙ্গারো কোর্টের অবৈধ প্রসিকিউটর তাজুল পালিয়েছে! যেকোনও সময় অন্যরাও পালিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিনি আরো লেখেন, ভদ্রবেশি উচ্চশিক্ষিত এই সব ধুরন্ধর জালিয়াতচক্র যদি বিনা বিচারে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, তার দায় দায়িত্ব সম্পূর্ণ বর্তমান সরকারকে নিতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কেউ আইন ও বিচারের ঊর্ধ্বে নয়। গত ২০ মাস অবৈধ সরকারের অবৈধ আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, আইনজীবী শিশির মনির, প্রতারক অবৈধ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ও বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদাররা বাংলাদেশের বিচার আইন আদালত নিয়ে যে তামাশা করেছে অবশ্যই তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।

ওই পোস্টে লাইক পড়েছে ৬ হাজার ৭০০, মন্তব্য করেছেন ১ হাজার জন ৩০০ এবং শেয়ার হয়েছে ১ হাজার ৯০০ বার।

এদিকে, ট্রাইব্যুনালের আদেশ পেয়ে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়েছে বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হোসেন জোহার নেতৃত্বাধীন একটি পুলিশ দল। তবে ওই ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর জোহা।
সানা/আপ্র/৮/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার নয়: হাইকোর্টের আদেশ আপিলে স্থগিত
২৯ জুলাই ২০২৬

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার নয়: হাইকোর্টের আদেশ আপিলে স্থগিত

সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকলে কোনো ব্যক্তিকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করা...

ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
২৯ জুলাই ২০২৬

ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় মাগুরার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এবং বর্তমানে ও...

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের, বাজার তদারকিতে নতুন চাপ
২৮ জুলাই ২০২৬

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের, বাজার তদারকিতে...

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে উদ্ব...

সম্পদের হিসাব গোপন: সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড
২৮ জুলাই ২০২৬

সম্পদের হিসাব গোপন: সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দেওয়ার দায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 17 ঘন্টা আগে