গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:১২ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৪০ এএম ২০২৬
ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় মাগুরার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এবং বর্তমানে ওএসডিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুনতাসির আহমেদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আজমত হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। নির্ধারিত শুনানির দিনে আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের পরিচয় হয়। পরে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে নিজের কার্যালয়ে ডেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে সাবেক স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ভুক্তভোগীকে বিয়ে করার আশ্বাস দেন।

এজাহারে আরো বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাগুরার সরকারি বাংলোয় ভুক্তভোগীকে নাকফুল পরিয়ে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা করেন জহিরুল ইসলাম। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাগুরার সরকারি বাংলো, অফিসের বিশ্রামকক্ষ এবং ঢাকার বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পুলিশ সদর দপ্তরে বদলির পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই বিয়ের জন্য চাপ দিলে জহিরুল ইসলাম বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান এবং আইনি পদক্ষেপ নিলে ক্ষতি হবে বলেও হুমকি দেন। এ ঘটনায় ১৫ জুলাই রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।

পরে আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ ঢাকার জজ আদালত প্রাঙ্গণে পুনরায় বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে অভিযুক্ত আবারও অস্বীকৃতি জানান এবং হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে গত ২০ মে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

এরপর আদালতের নির্দেশে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক গত ১৪ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এসি/আপ্র/২৯/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার নয়: হাইকোর্টের আদেশ আপিলে স্থগিত
২৯ জুলাই ২০২৬

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার নয়: হাইকোর্টের আদেশ আপিলে স্থগিত

সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকলে কোনো ব্যক্তিকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করা...

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের, বাজার তদারকিতে নতুন চাপ
২৮ জুলাই ২০২৬

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের, বাজার তদারকিতে...

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে উদ্ব...

সম্পদের হিসাব গোপন: সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড
২৮ জুলাই ২০২৬

সম্পদের হিসাব গোপন: সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দেওয়ার দায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর...

বিয়ের প্রলোভনে আটকে রেখে ধর্ষণ, তরুণী হত্যার অভিযোগে মামলা
২৮ জুলাই ২০২৬

বিয়ের প্রলোভনে আটকে রেখে ধর্ষণ, তরুণী হত্যার অভিযোগে মামলা

রাজধানীর আদাবরে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ফটোগ্রাফার নাম...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 12 ঘন্টা আগে