গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে জনপ্রিয় হচ্ছে হাইব্রিড মেকআপ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:১৮ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৪১ এএম ২০২৬
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে জনপ্রিয় হচ্ছে হাইব্রিড মেকআপ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সৌন্দর্যচর্চায় এখন আর শুধু নিখুঁত মেকআপ নয়, সুস্থ ও উজ্জ্বল ত্বকও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে। এ কারণে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে হাইব্রিড মেকআপ—যেখানে মেকআপ ও ত্বকের পরিচর্যা একসঙ্গে নিশ্চিত করা হয়। ফলে ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে স্বাভাবিক, সতেজ ও স্বাস্থ্যকর লুক পাওয়ার পাশাপাশি ত্বকও পায় প্রয়োজনীয় যত্ন।

হাইব্রিড মেকআপ এমন এক ধরনের প্রসাধনী, যা ত্বকের দাগ বা অসমান রং ঢেকে দেওয়ার পাশাপাশি আর্দ্রতা, পুষ্টি ও সুরক্ষা দেয়। প্রচলিত ফাউন্ডেশন বা কনসিলারের মতো শুধু কভারেজ নয়, এতে সিরাম, ময়েশ্চারাইজার ও সানস্ক্রিনের উপকারী উপাদানও থাকে। ফলে একই পণ্যে সাজ ও ত্বকের পরিচর্যা—দুই সুবিধাই মিলতে পারে।

ব্যস্ত জীবনযাপনে কম সময়ে একাধিক সুবিধা পাওয়ার চাহিদা থেকেই এ ধরনের প্রসাধনীর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। হাইব্রিড মেকআপ ত্বককে ভারী না দেখিয়ে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখে এবং দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পরও ত্বক শুষ্ক বা ক্লান্ত লাগে না। বিশেষ করে ‘নো-মেকআপ মেকআপ’, ‘গ্লাস স্কিন’ ও ‘স্কিন-ফার্স্ট বিউটি’ প্রবণতা জনপ্রিয় হওয়ার পর এর ব্যবহার আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

হাইব্রিড মেকআপের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এতে থাকা ত্বক-পরিচর্যার উপাদান। হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, নিয়াসিনামাইড দাগছোপ কমানো ও অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে, ভিটামিন সি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং এসপিএফ সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া পেপটাইড, সেরামাইড, স্কোয়ালেন, অ্যালোভেরা ও শিয়া বাটারের মতো উপাদান ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তরকে শক্তিশালী করে।

এ ধরনের মেকআপ ব্যবহার করাও সহজ। প্রথমে মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে চাইলে হালকা টোনার বা ফেস মিস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপর হাইব্রিড ফাউন্ডেশন, বিবি ক্রিম বা টিন্টেড ময়েশ্চারাইজার মুখে সমানভাবে ব্লেন্ড করে নিলেই হয়। যেহেতু এসব পণ্যে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান থাকে, তাই অনেক ক্ষেত্রেই আলাদা প্রাইমার বা ভারী ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন পড়ে না। প্রয়োজন হলে চোখের নিচের কালচে দাগ বা ব্রণের দাগ ঢাকতে হাইব্রিড কনসিলার ব্যবহার করা যায়। তৈলাক্ত ত্বকে টি-জোনে সামান্য ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাইব্রিড মেকআপে স্কিনকেয়ারের উপাদান থাকলেও এটি শেষ পর্যন্ত একটি মেকআপ পণ্য। তাই দিন শেষে অবশ্যই সঠিকভাবে মেকআপ পরিষ্কার করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ডাবল ক্লিনজিং পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রথমে অয়েল-বেসড ক্লিনজার বা মেকআপ রিমুভার দিয়ে মেকআপ তুলে, পরে মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলে লোমকূপ পরিষ্কার থাকে এবং ব্রণ বা ব্ল্যাকহেডসের ঝুঁকিও কমে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, আধুনিক সৌন্দর্যচর্চার মূল লক্ষ্য এখন ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা। তাই যারা কম সময়ে প্রাকৃতিক, সতেজ ও স্বাস্থ্যকর লুক চান, তাদের জন্য হাইব্রিড মেকআপ হতে পারে কার্যকর একটি সমাধান।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, নিউজ এইটিন।

এসি/আপ্র/২৯/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবে যেসব পুষ্টিকর খাবার
২৯ জুলাই ২০২৬

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবে যেসব পুষ্টিকর খাবার

শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থ বিকাশ, স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ অনেকটাই নির্ভর করে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের ওপর।...

নারীরা কেন ব্যাগে সবসময় লিপস্টিক রাখেন
২৯ জুলাই ২০২৬

নারীরা কেন ব্যাগে সবসময় লিপস্টিক রাখেন

প্রতিবছর ২৯ জুলাই পালিত হয় জাতীয় লিপস্টিক দিবস। ঠোঁট রাঙানোর প্রসাধনী হিসেবে পরিচিত হলেও লিপস্টিক অন...

নারীরা কেন ব্যাগে সবসময় লিপস্টিক রাখেন
২৯ জুলাই ২০২৬

নারীরা কেন ব্যাগে সবসময় লিপস্টিক রাখেন

প্রতিবছর ২৯ জুলাই পালিত হয় জাতীয় লিপস্টিক দিবস। ঠোঁট রাঙানোর প্রসাধনী হিসেবে পরিচিত হলেও লিপস্টিক অন...

চল্লিশের পর সম্পর্কে জড়াতে যে ৭ বিষয় জরুরি
২৮ জুলাই ২০২৬

চল্লিশের পর সম্পর্কে জড়াতে যে ৭ বিষয় জরুরি

চল্লিশের পর নতুন সম্পর্কে জড়ানো বিশের দশকের প্রেমের মতো নয়। বয়স, অভিজ্ঞতা, দায়িত্ব ও জীবনের বাস্তবতা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 15 ঘন্টা আগে