গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ড্রাই ব্রাশিং

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৪৪ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৩:১৪ এএম ২০২৬
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ড্রাই ব্রাশিং
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আপনি নিশ্চয়ই প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করেন, আর সিল্কি চুল ও স্বাস্থ্যজ্জল স্কাল্পের জন্য চুলও নিয়মিত ব্রাশ করেন। কিন্তু ভাবুন, যদি এখন আপনাকে আপনার ত্বকও ব্রাশ করতে বলা হয়? সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনে রূপচর্চার দুনিয়াতেও এসেছে নতুনত্ব।

একেক সময় একেক ট্রেন্ড সবাইকে আকর্ষণ করে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে এক নতুন ট্রেন্ড মুখের ড্রাই ব্রাশিং। এখন অনেকেই এটি ব্যবহার করছেন।

এই পদ্ধতিতে বলা হচ্ছে, মুখের ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, আর জ’লাইনকে আরো তীক্ষ্ণ করার ক্ষেত্রেও কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং আসলে কী এবং এটি কতটা কার্যকর? এটি এখন অনেকের আগ্রহের বিষয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক-

ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং কী?
ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং হলো মুখের ত্বক ব্রাশ করার একটি বিশেষ পদ্ধতি। এতে ব্যবহার করা হয় নরম ব্রাশ, মুখ সম্পূর্ণ শুকনো রাখার সঙ্গে সঙ্গে কোনো পানি বা ক্রিম ব্যবহার করা হয় না। ব্রাশ করতে হয় নিচ থেকে উপরের দিকে এবং ভেতর থেকে বাইরের দিকে, যাতে ত্বকের মৃত কোষ আলতোভাবে অপসারিত হয়।

অনেক ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, এই পদ্ধতি মুখের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম সক্রিয় করতে সাহায্য করে। এর ফলে মুখের ত্বক সামান্য মসৃণ এবং হালকা উজ্জ্বল দেখায়। লিম্ফ চলাচল বাড়লে মুখের ফোলা কমতে পারে, ফলে জ’-লাইন তুলনামূলকভাবে শার্প দেখায়।

যেভাবে কাজ করে
এই পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো ত্বকে রক্তপ্রবাহ বাড়ানো, মৃত কোষ দূর করা এবং সাময়িক উজ্জ্বলতা আনা। ব্যবহারকারীরা দেখেছেন যে এটি মুখের ত্বক সামান্য মসৃণ ও ফোলা কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি স্থায়ী জ লাইন তৈরি করতে পারে না। জ লাইন মূলত হাড়ের গঠন, পেশির টোন এবং মুখের ফ্যাটের ওপর নির্ভর করে। ড্রাই ব্রাশিং শুধু সাময়িকভাবে ফোলা কমাতে ও মৃত কোষ সরাতে সাহায্য করে, ফলে ত্বক সাময়িকভাবে উজ্জ্বল দেখায়।

ড্রাই ব্রাশিং করার পদ্ধতি
মুখ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। মুখের জন্য বিশেষ নরম ব্রাশ ব্যবহার করে হালকা চাপ দিয়ে গলা থেকে উপরের দিকে, গাল ও কপালে ব্রাশ করুন। চোখের চারপাশের সংবেদনশীল অংশ এড়িয়ে চলুন। ১-২ মিনিট যথেষ্ট, সপ্তাহে ২-৩ বার করুন। শেষে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন।

সতর্কতা
মুখের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় ঘন ঘন ব্রাশিং করলে লালচে ভাব, ইরিটেশন বা মাইক্রো-স্ক্র্যাচ হতে পারে। ব্রণ, এগজিমা বা ত্বকের ক্ষত থাকলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত নয়। অপরিষ্কার ব্রাশ ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

এসি/আপ্র/১৫/০১/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

যেকোনো বয়সে শরীর বদলাবে ৫ অভ্যাসে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যেকোনো বয়সে শরীর বদলাবে ৫ অভ্যাসে

ফিট ও সুস্থ শরীর গড়ার জন্য বয়স কম হওয়া কিংবা কঠোর ব্যায়াম ও কড়া খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা সবসময় জরুরি নয়।...

সন্তান আসার পর দাম্পত্যে রোমান্স ফেরাবেন যেভাবে
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সন্তান আসার পর দাম্পত্যে রোমান্স ফেরাবেন যেভাবে

একটি শিশু পৃথিবীতে আসার পর পুরো পরিবারের চিত্রই বদলে যায়। নতুন জীবনের আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি বা...

পেঁয়াজের খোসার পানিতে কি সত্যিই চুল গজায়!
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পেঁয়াজের খোসার পানিতে কি সত্যিই চুল গজায়!

রান্নাঘরে প্রতিদিন এমন অনেক কিছুই ব্যবহার করি, যার প্রয়োজন শেষ হলেই জায়গা হয় ময়লার ঝুড়িতে। পেঁয়াজের...

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, সম্পর্ক থাকবে উষ্ণ
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, সম্পর্ক থাকবে উষ্ণ

অফিসের চাপ, একের পর এক সভা, কাজের সময়সীমা ও পারিবারিক নানা দায়িত্ব—সব মিলিয়ে ব্যস্ত জীবনে সঙ্গীকে পর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই