গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়লো ৫৪ শতাংশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৪৯ পিএম, ১৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৩২ এএম ২০২৬
কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়লো ৫৪ শতাংশ
ছবি

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম মিলনায়তনে চলতি অর্থবছরের ‘কৃষি ও পল্লী ঋণ’ নীতিমালা ঘোষণা করা হয় -ছবি সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৫৪ শতাংশ বাড়িয়ে ৬০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ২০ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা এবং বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলো ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা বিতরণ করবে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম মিলনায়তনে চলতি অর্থবছরের ‘কৃষি ও পল্লী ঋণ’ নীতিমালা ঘোষণা করা হয়।

নীতিমালা তুলে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান বলেন, “আগের চেয়ে লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে, যদিও এটি একটু চাপ তৈরি করবে, তারপরও আমরা মনে করছি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব।”

নতুন নীতিমালায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ এবং আড়াই একর জমিতে লবণ চাষের ঋণের ক্ষেত্রে ডকুমেন্টেশন খরচ ছাড়া অন্য কোনো সেবা ফি নেওয়া যাবে না। পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণে কোনো ধরনের জামানতও নেওয়া যাবে না।

নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের ঋণের ক্ষেত্রে জমি বা স্থাবর সম্পত্তির পাশাপাশি বিকল্প জামানত হিসেবে সামাজিক ও দলগত জামানতের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এবার শিমুলমূল, অশ্বগন্ধা, মিশ্রিদানা, রোজেলা, শতমূল, গাছ আলু ও ব্লুবেরি চাষ এবং ডিমের খোসা দিয়ে জৈব সার উৎপাদনকে কৃষি ঋণের আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যাচারিতে মাছ ও হাঁস-মুরগির বাচ্চা উৎপাদন এবং উট পালনও কৃষি ঋণের আওতায় এসেছে।

প্রকৃত কৃষক যাচাইয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় কৃষি, মৎস্য বা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার প্রত্যয়ন অথবা সরকারি ‘কৃষক কার্ড’ ব্যবহার করা হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান জানান, ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণের বর্তমানে প্রায় আড়াই শতাংশ কৃষি খাতে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর ফলে মোট ঋণের চার শতাংশ কৃষি ঋণ হিসেবে বিতরণ হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ হয়েছিল ৪২ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। ওই অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার ১০৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ ঋণ বিতরণ করা হয়। এ ঋণের সুবিধা পেয়েছেন ৩৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৩৩ জন।

চলতি অর্থবছরের ৬০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা গত অর্থবছরের ৩৯ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।

নীতিমালায় চলতি অর্থবছরে ব্যাংকের নিজস্ব শাখা ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোট কৃষি ঋণের অন্তত ৫০ শতাংশ বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি ঋণ তৃতীয় কোনো লিংকেজ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও কৃষি ঋণ বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সানা/আপ্র/১৮/৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার মূল চাবিকাঠি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ...

আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল

চলতি বছরের জুলাই থেকে বিভিন্ন কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল হয়েছ...

ঢাকার দুই প্রান্ত যুক্ত করবে নতুন মেট্রোরেল
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার দুই প্রান্ত যুক্ত করবে নতুন মেট্রোরেল

রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলকে একই পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই