গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

দেশের মানুষ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফিরতে চায় না: আলী রীয়াজ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:২১ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৭:৩৪ এএম ২০২৬
দেশের মানুষ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফিরতে চায় না: আলী রীয়াজ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা অত্যন্ত সুস্পষ্ট এবং দ্বিধাহীনভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব সমূহের অনুকূলে তাদের রায় দিয়েছেন। এই রায় থেকে এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের নাগরিকদের বৃহদাংশ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে বা স্থিতাবস্থা বহাল রাখতে চায় না। তারা চান পরিবর্তন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় সংস্কার।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গণভোটের আগে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া ভাষণের উদ্ধৃতি তুলে ধরে আলী রীয়াজ বলেন, একটি জাতীয় রূপান্তর কখনোই একক সিদ্ধান্ত বা একক শাসনের মাধ্যমে টেকসই হবে না। জনগণ রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি। পরিবর্তনের চূড়ান্ত বৈধতা আসে জনগণের সম্মতি থেকেই। তাই দেশের ভবিষ্যৎ দিক-নির্দেশনা নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেওয়াই হলো গণতান্ত্রিক পথের মূল ভিত্তি। এই লক্ষ্যেই আমরা গণভোটের আয়োজন করেছি যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারের দিশা নির্ধারণে জনগণ সরাসরি নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারে। জনগণ আমার আহবানে সাড়া দিয়েছেন। সংস্কারের পক্ষে জনরায় এসেছে।

আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে দেওয়া জনগণের রায়কে কেবল সংখ্যার বিবেচনায় দেখলেই হবে না। জনগণের এই রায় হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, যারা অকুতোভয়ে লড়াই করেছেন, তারা আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন তার স্বীকৃতি। তাদের দেওয়া দায়িত্ব পালনের জন্য জনগণের অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, প্রায় ১৬ বছর ধরে যে বীরের রক্তস্রোত, মাতার অশ্রুধারা, নির্যাতিতের হাহাকার; তার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের জনমত আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ এই গণভোট। সার্বভৌম জনগণের যে অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছিল ২০২৪ সালে; গণভোটের মধ্যে দিয়ে এই রায় পুনর্বার প্রকাশিত হলো। আমাদের এই বিষয়গুলো বিস্মৃতত হবার সুযোগ নেই।

আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটের মধ্যে দিয়ে সংস্কারের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলসমূহের। আর রাষ্ট্র সংস্কারের ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দল অঙ্গীকারবদ্ধ। ক্ষমতাসীন দল এবং জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রতিনিধিত্বকারী দলসমূহ এবং সংসদের বাইরেও যেসব রাজনৈতিক দল আছে তাদের সকলের প্রতি আহ্বান হচ্ছে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণরায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

ওআ/১৪/২/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

‘নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন’
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন’

নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্...

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার মূল চাবিকাঠি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ...

আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল

চলতি বছরের জুলাই থেকে বিভিন্ন কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল হয়েছ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই