গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

সংসদে দলীয়করণ বিতর্ক

বিসিবিকে ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড’ বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:০২ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৭:১৪ এএম ২০২৬
বিসিবিকে ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড’ বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ
ছবি

বুধবার জাতীয় সংসদে কথা বলেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ -টিভি থেকে নেওয়া ছবি

জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধিতার সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)সহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দলীয়করণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ)।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের সময় তিনি বিলটির বিরোধিতা করেন। কণ্ঠভোটে তার আপত্তি নাকচ হলে বিলটি সংসদে উত্থাপিত হয়। আলোচনায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রস্তাবিত আইনে ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’ সংক্রান্ত সংজ্ঞা নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে। তার মতে, রাজনৈতিক প্রতিরোধ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত অপরাধকে একইভাবে দেখার ঝুঁকি রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোন কর্মকাণ্ড ‘ব্যক্তিগত স্বার্থ’ আর কোনটি রাজনৈতিক প্রতিরোধ-তা নির্ধারণ করবে কে। তার ভাষায়, এ ক্ষেত্রে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্ধারক ভূমিকা দেওয়া হলে তা নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করবে। হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, ২০০৯ সালের আইনে গঠিত মানবাধিকার কমিশন কার্যত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং অতীতে এটি বিরোধী মত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দলীয়করণের উদাহরণ টেনে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক, বিচার বিভাগ এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রসঙ্গ তোলেন। তার ভাষায়, “বিসিবি এখন আর ক্রিকেট বোর্ড নেই, এটি ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে।”
তার এ মন্তব্য সংসদে তীব্র আলোচনার জন্ম দেয়। তিনি আরো বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমশ দলীয় প্রভাবের অধীনে চলে যাচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিলটির উদ্দেশ্য হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তার মতে, এ বিষয়ে জাতীয় দাবি ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার রয়েছে।

বিসিবি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, বোর্ড গঠন ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া বিধিসম্মতভাবেই হয়েছে এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরিবর্তন আনা হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী ও স্বায়ত্তশাসিত করার লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে এবং অন্যান্য আইনের সঙ্গে এর সমন্বয় প্রয়োজন।
সংসদে আলোচনার শেষ দিকে দুই পক্ষই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা, জবাবদিহি এবং সংস্কার নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন।
সানা/আপ্র/৮/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কর‌ছি: দীনেশ ত্রিবেদী
২৯ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কর‌ছি: দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্...

মাইলস্টোনে বোন হারানো তাহসিনের হাসির গল্প ছুঁয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে
২৯ জুলাই ২০২৬

মাইলস্টোনে বোন হারানো তাহসিনের হাসির গল্প ছুঁয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে গত ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর সমাপনী আয়োজ...

গ্যাস সংকটে রান্নায় বাড়ছে বিদ্যুতের নির্ভরতা
২৯ জুলাই ২০২৬

গ্যাস সংকটে রান্নায় বাড়ছে বিদ্যুতের নির্ভরতা

রাজধানীতে টানা গ্যাস সংকটে আবাসিক গ্রাহকদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দিনের বেশিরভাগ সময়ই অনেক এলাকায় গ্...

এবার চিনিতেও মিললো ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক
২৯ জুলাই ২০২৬

এবার চিনিতেও মিললো ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া চিনিতে ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। নতুন...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 17 ঘন্টা আগে