গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচনে বিএনপির রেজাউল ও মাহমুদুল বিজয়ী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:১১ পিএম, ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৩:১৫ এএম ২০২৬
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচনে বিএনপির রেজাউল ও মাহমুদুল বিজয়ী
ছবি

বগুড়া–৬ আসনে জয়ী রেজাউল করিম (বাদশা) ও শেরপুর–৩ আসনে জয়ী মাহমুদুল হক -ছবি সংগৃহীত

বগুড়া-৬ আসনের (সদর) উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম (বাদশা) বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ৭৬ হাজার ৭৭২ ভোটের ব্যবধানে জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমানকে (সোহেল) পরাজিত করেন।

একই দিন অনুষ্ঠিত শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক (রুবেল)। তিনি ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৬ ভোটের ব্যবধানে জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমানকে পরাজিত করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত আসন দুটিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে রাত নয়টার দিকে ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বগুড়া–৬ উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯ ভোট।

উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর নানা অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান। দুপুরে মালতিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা বিএনপির পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। ফলে মাগুরার মতো বগুড়া-৬-এ একটি প্রহসনের উপনির্বাচন সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে আসনটিতে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসনেও বিজয়ী হন। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

বগুড়ার অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপনির্বাচনে সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন বলেন, উপনির্বাচনে ১৫১টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৪৩ শতাংশ।

শেরপুর–৩ নির্বাচনে মোট ১২৯টি কেন্দ্রে (একটি পোস্টাল) ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারিভাবে ঘোষিত সব কটি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক (রুবেল) ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট। অপর প্রার্থী বাসদের মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৪৮০ ভোট। এখানে ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ১৯ শতাংশ।

এর আগে বেলা পৌনে তিনটার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনকে ‘প্রহসনমূলক’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান। তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের সিল দিতে বাধ্য করা, বুথ দখল, এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও হামলার অভিযোগ তোলেন। হামলার ঘটনায় জামায়াতের এক নেতা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলেও জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে এ আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পরে তাঁর ছোট ভাই মাসুদুর রহমানকে প্রার্থী করে জামায়াত।
সানা/ডিসি/আপ্র/১০/৪/২০২৬

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে ছয় বাংলাদেশি নিহত, নারায়ণগঞ্জে শোক
২৯ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে ছয় বাংলাদেশি নিহত, নারায়ণগঞ্জে শোক

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (কোমানি) শহরের একটি সুপারশপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয় ব...

চলতি বছরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা
২৮ জুলাই ২০২৬

চলতি বছরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা

চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী...

সাড়ে সাত বছরে সড়কে প্রাণ গেছে ৭৩৬৪ শিক্ষার্থীর
২৮ জুলাই ২০২৬

সাড়ে সাত বছরে সড়কে প্রাণ গেছে ৭৩৬৪ শিক্ষার্থীর

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন

মিরপুরে টিসিবির লাইনে দেয়াল ধসে নিহত নারী-পুরুষ
২৮ জুলাই ২০২৬

মিরপুরে টিসিবির লাইনে দেয়াল ধসে নিহত নারী-পুরুষ

 রাজধানীর মিরপুরে টিসিবির পণ্য কিনতে এসে সীমানাপ্রাচীর ধসে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো আটজন...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 ঘন্টা আগে