গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মেনু

মারা গেছেন বীর উত্তম এ.কে. খন্দকার, প্রধান উপদেষ্টার শোক প্রকাশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:৪৫ পিএম, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১৬:২৪ এএম ২০২৬
মারা গেছেন বীর উত্তম এ.কে. খন্দকার, প্রধান উপদেষ্টার শোক প্রকাশ
ছবি

ফাইল ছবি

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর-উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার (এ.কে. খন্দকার) মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।


শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যের কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।


এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এ.কে. খন্দকার ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় সৈনিক। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সাহসিকতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের পরিচয় দিয়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে তার কৌশলগত সিদ্ধান্ত, সাংগঠনিক দক্ষতা ও অটল দেশপ্রেম স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরো সুসংহত করেছিল।’


প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, “স্বাধীনতার পর এ.কে. খন্দকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং দেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে এই বাহিনীকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করাতে অসামান্য অবদান রাখেন।” 


শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এ. কে. খন্দকার রণাঙ্গনের একজন সম্মুখসারির মুক্তিযোদ্ধা হয়েও দেশের স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে গ্রন্থ রচনা করে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ব্যাপক রোষানলে পড়েছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরাই ছিল তৎকালীন শাসনের দৃষ্টিতে তার ‘অপরাধ’। 


ড. ইউনূস এ.কে. খন্দকারকে একজন দৃঢ়চেতা, সৎ, সাহসী ও আদর্শনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক হিসেবে অভিহিত করেন। বলেন, তার কর্ম, চিন্তা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য আজীবন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। 


সবশেষে প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহযোদ্ধা ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।  


রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন এ কে খন্দকার। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পাবনা-২ (বেড়া–সুজানগর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।


এ কে খন্দকার দুই ছেলে, এক কন্যা ও তিন নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এর আগে গত ৮ জুন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার সহধর্মিণী ফরিদা খন্দকার ইন্তেকাল করেন।


এসি/আপ্র/২০/১২/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন হবে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
১৯ মে ২০২৬

১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন হবে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল

আগামী ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন...

ফায়ার সার্ভিসে ২০ নতুন স্টেশন হচ্ছে, আসছে ১০০ অ্যাম্বুলেন্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৯ মে ২০২৬

ফায়ার সার্ভিসে ২০ নতুন স্টেশন হচ্ছে, আসছে ১০০ অ্যাম্বুলেন্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধি...

নতুন ডিজাইনের ৫ টাকার নোট বাজারে ছাড়লো সরকার
১৯ মে ২০২৬

নতুন ডিজাইনের ৫ টাকার নোট বাজারে ছাড়লো সরকার

দেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্যকে তুলে ধরে নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ৫ টাকা মূল্যমানের কারেন্স...

ভূমি সেবা পেতে আর দুর্নীতির শিকার হতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
১৯ মে ২০২৬

ভূমি সেবা পেতে আর দুর্নীতির শিকার হতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

জনগণকে ভূমি সেবা পেতে আর দুর্নীতি শিকার হতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ সুদহার নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টের রুল জারি

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। আপনি কি মনে করেন- গ্রামীণ ব্যাংক সবচেয়ে চড়া সুদ আদায় করে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে