গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

নারী-শিশুর নিরাপত্তা ও দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১৫ পিএম, ২২ মে ২০২৬ | আপডেট: ১৯:৫৮ এএম ২০২৬
নারী-শিশুর নিরাপত্তা ও দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
ছবি

শুক্রবার রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে কর্মসূচি পালন করেছে প্রথম আলো বন্ধুসভা -ছবি সংগৃহীত

দেশজুড়ে শিশু ও নারীর ওপর নির্যাতন, নিপীড়ন ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ এবং দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিতের দাবিতে দেশব্যাপী মানববন্ধন করেছে প্রথম আলো বন্ধুসভা। শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এর অংশ হিসেবে রাজধানীর কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারার পাদদেশে বিকেল চারটায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বন্ধুসভার জাতীয় পর্ষদ, ঢাকা মহানগরের সদস্য, উপদেষ্টা ছাড়াও শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা কালো পোশাক পরে হাতে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিচার দাবি করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিশু ও নারীর ওপর সহিংসতার ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধ বাড়িয়ে তুলছে। তারা ধর্ষণ ও নিপীড়নের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান। 

একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণে অপরাধীরা আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছে, যা বারবার একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তিনি সব ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানান।

বন্ধুসভার জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের উপদেষ্টা মাহবুব পারভেজ পল্লবীতে আট বছরের এক শিশুকে হত্যার ঘটনাসহ সব ধর্ষণ ও নিপীড়নের দ্রুত বিচার দাবি করেন।

সহসভাপতি নূর ই আলম বলেন, বিচারহীনতার কারণে সমাজে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে এবং এ অবস্থার অবসান জরুরি।

মানববন্ধনে বক্তারা প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান। তারা বলেন, নিরাপদ সমাজ গঠনের জন্য রাষ্ট্রকে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হবে।

এতে আরও বক্তব্য দেন মনোরোগবিশেষজ্ঞ মাহমুদা মুহসিনা, সাংবাদিক বেলায়েত হোসেন, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিলের পরিচালক নাবিলা দুর্দানা এবং বন্ধুসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনের কঠোর প্রয়োগ, মাদক ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ এবং নারী ও শিশুবান্ধব রাষ্ট্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, প্রতিটি অপরাধের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে এ ধরনের ঘটনা থামানো যাবে না।

বন্ধুসভা জানায়, রাজধানীসহ দেশের অন্তত ৩১টি জেলা ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে একই দাবিতে পৃথক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সানা/ডিসি/আপ্র/২২/৫/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি
২৯ জুলাই ২০২৬

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে দিল্ল...

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান
২৯ জুলাই ২০২৬

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান

বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের স্বর্ণযুগের অন্যতম নেপথ্য কারিগর, প্রযোজক ও নির্মাতা মুস্তাফিজুর রহমানকে...

কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করলো হাইআতুল উলয়া
২৯ জুলাই ২০২৬

কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করলো হাইআতুল উলয়া

কওমি মাদ্রাসাসংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকি জোরদার...

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ারের মৃত্যু
২৯ জুলাই ২০২৬

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ারের মৃত্যু

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার মারা গেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে