গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় বিমান বিধ্বস্ত

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:৫৪ পিএম, ১৩ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৬:০৪ এএম ২০২৬
বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় বিমান বিধ্বস্ত
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ভারতের আসামের জোড়হাটে অবস্থিত ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। অবতরণের পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (১৩ জুন) রাজ্যের জোরহাট বিমান ঘাঁটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবতরণের সময় বিমান বাহিনী স্টেশন চত্বরের ভেতরেই এএন-৩২ বিমানটি আছড়ে পড়ে। এ সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে জরুরি উদ্ধারকারী আগমুহূর্তে বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ এবং হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি। ভারতীয় বিমানবাহিনী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী। 

আন্তোনভ এএন-৩২ ভারতের বিমানবাহিনীর প্রধান ভরসা বা ওয়ার্কহর্স হিসেবে পরিচিত। এটি মূলত ভারতের বিশেষ প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে এ ধরনের প্রায় ১০০টি বিমান রয়েছে।

এএন-৩২ বিমান প্রতিকূল পরিবেশে, বিশেষ করে অত্যন্ত উঁচু বিমানঘাঁটি এবং উষ্ণ ক্রান্তীয় আবহাওয়ায় উড্ডয়ন করতে পারে। এটি সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৫ টন মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার বহন করতে পারে। দুর্গম এলাকায় রসদ সরবরাহের জন্য এ ধরনের বিমান ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

এর আগে গত মার্চে আসামের কার্বি আংলং জেলায় সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। এ ঘটনায় বিমানের দুজন পাইলট নিহত হয়েছিলেন। 

গত ৫ মার্চ জোরহাট বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে নিয়মিত উড্ডয়নের পর সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটে কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর বিমানটির সঙ্গে আর কোনোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানটি শেষ পর্যন্ত জোরহাট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কার্বি আংলং জেলার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছিল।

এসি/আপ্র/১৩/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি
২৯ জুলাই ২০২৬

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে দিল্ল...

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান
২৯ জুলাই ২০২৬

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান

বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের স্বর্ণযুগের অন্যতম নেপথ্য কারিগর, প্রযোজক ও নির্মাতা মুস্তাফিজুর রহমানকে...

কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করলো হাইআতুল উলয়া
২৯ জুলাই ২০২৬

কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করলো হাইআতুল উলয়া

কওমি মাদ্রাসাসংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকি জোরদার...

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ারের মৃত্যু
২৯ জুলাই ২০২৬

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ারের মৃত্যু

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার মারা গেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে