গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

শ্রমিকবান্ধব বাজেট ও সামাজিক সুরক্ষা দাবি জাতীয় শ্রমিক শক্তির

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৪৬ পিএম, ১৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৪:২১ এএম ২০২৬
শ্রমিকবান্ধব বাজেট ও সামাজিক সুরক্ষা দাবি জাতীয় শ্রমিক শক্তির
ছবি

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তারা -ছবি সংগৃহীত

শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে জাতীয় শ্রমিক শক্তি। শুক্রবার (১৯ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব ঋয়াজ মোর্শেদ, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আতিকুর রহমানসহ শ্রমিক নেতারা।

বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি শ্রমজীবী মানুষ। কৃষি, শিল্প, নির্মাণ, পরিবহন, সেবা খাত এবং রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পসহ সব ক্ষেত্রে শ্রমিকদের শ্রম ও ত্যাগ অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি করেছে। তবে এই উন্নয়নের সুফল এখনও শ্রমজীবী মানুষের জীবনে সমানভাবে পৌঁছায়নি।

তারা আরো বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং সীমিত সামাজিক সুরক্ষার কারণে শ্রমিকরা নানা সংকটে রয়েছেন। জাতীয় বাজেটকে কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন হিসেবে দেখা উচিত।

বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন, যারা পেনশন, স্বাস্থ্যসেবা, দুর্ঘটনা বিমা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও বেকারত্বকালীন সহায়তার মতো মৌলিক সামাজিক নিরাপত্তার বাইরে রয়েছেন। প্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরাও ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হচ্ছেন।

তারা বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তারের কারণে শ্রমবাজারে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এসব মোকাবিলায় শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করা জরুরি।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাতীয় পর্যায়ে শ্রমিক প্রশিক্ষণ তহবিল গঠন, নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু, স্বল্পব্যয়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, শিল্পাঞ্চলভিত্তিক শ্রমিক আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন, সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা ও পেনশন ব্যবস্থা চালু, শ্রমিক কল্যাণ তহবিল শক্তিশালীকরণ, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি পুনর্র্নিধারণ এবং ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১৯/৬/২০২৬ 

সংশ্লিষ্ট খবর

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার মূল চাবিকাঠি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ...

আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল

চলতি বছরের জুলাই থেকে বিভিন্ন কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল হয়েছ...

ঢাকার দুই প্রান্ত যুক্ত করবে নতুন মেট্রোরেল
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার দুই প্রান্ত যুক্ত করবে নতুন মেট্রোরেল

রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলকে একই পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই