গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

ইউএনওকে ফুল দিয়ে বরণ জামায়াতের এমপির, প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:০৭ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০২:২৫ এএম ২০২৬
ইউএনওকে ফুল দিয়ে বরণ জামায়াতের এমপির, প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন
ছবি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরুকে কার্যালয়ে গিয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুল গফুর -ছবি সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার মিরপুরে নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরুকে কার্যালয়ে গিয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুল গফুর। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এই সংসদ সদস্যের এমন সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুল দেওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদা ক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকালে মিরপুর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে ইউএনওর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্য তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।

ফেসবুক পোস্টে আবদুল গফুর লেখেন, মিরপুর উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত ইউএনওকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।

তবে সংসদ সদস্যের এই উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব, প্রটোকল এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার বিষয়টি তুলে ধরে মন্তব্য করেছেন।

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) কুষ্টিয়ার সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, একজন সংসদ সদস্য যেভাবে দলবল নিয়ে ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে ফুল দিয়েছেন, তাতে সরকারি কর্মকর্তার ওপর রাজনৈতিক প্রভাব তৈরির বার্তা যেতে পারে। এতে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।

এ বিষয়ে ইউএনও আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, তিনি সম্প্রতি মিরপুর উপজেলায় যোগদান করেছেন। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাঁকে কার্যালয়ে এসে ফুল দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার সংসদ সদস্য সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে ফুল ও একটি বই উপহার দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রটোকল নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ইউএনও বলেন, এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। তবে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার জন্যই এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে।

সংসদ সদস্য আবদুল গফুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এর আগেও জনপ্রতিনিধিদের সরকারি কর্মকর্তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়েছে। ২০২৪ সালে চট্টগ্রামের একটি থানায় তৎকালীন সংসদ সদস্যের ওসিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর ঘটনাও একইভাবে আলোচনায় এসেছিল।
সানা/আপ্র/৩০/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

চীন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘এটা স্ত্রী-সতিনের মারামারি নয়’
৩০ জুলাই ২০২৬

চীন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘এটা স্ত্রী-সতিনের মারামারি নয়’

কোনো একটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানেই অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি নয় বলে মন্তব্য করেছেন পর...

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি
২৯ জুলাই ২০২৬

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে দিল্ল...

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান
২৯ জুলাই ২০২৬

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান

বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের স্বর্ণযুগের অন্যতম নেপথ্য কারিগর, প্রযোজক ও নির্মাতা মুস্তাফিজুর রহমানকে...

কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করলো হাইআতুল উলয়া
২৯ জুলাই ২০২৬

কওমি মাদ্রাসা পর্যবেক্ষণে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করলো হাইআতুল উলয়া

কওমি মাদ্রাসাসংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকি জোরদার...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে