গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হলো

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:২৬ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২১:৪৪ এএম ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হলো
ছবি

ছবি সংগৃহীত

অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ওমনি এয়ারের বিশেষ ফ্লাইট (OAE2323) তাদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

দেশে ফেরার পর প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও এভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম তাদের তাৎক্ষণিক সহায়তা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য পরিবহন সহায়তা দেয়।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা ২৩ বাংলাদেশির মধ্যে ১৩ জন নোয়াখালীর বাসিন্দা। এছাড়া তিনজন সিলেটের। অন্যরা কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ঢাকা ও অন্যান্য জেলার বাসিন্দা।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান জানান, প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ফেরত আসা অধিকাংশ বাংলাদেশি দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার দীর্ঘ, ব্যয়বহুল এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। এ পথে জনপ্রতি প্রায় ৫০ থেকে ৬৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে। উন্নত জীবনের আশায় বিপুল অর্থ খরচ করেও শেষ পর্যন্ত অভিবাসন–সংক্রান্ত আইনি জটিলতায় পড়ে তাদের দেশে ফিরতে হয়েছে।

শরিফুল হাসান বলেন, অনিয়মিত পথে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হওয়া জরুরি।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ফেরত আসা ২৩ জনের মধ্যে ২০ জন ব্রাজিল থেকে বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, পানামা, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস ও গুয়াতেমালা হয়ে মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করে অনিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। এ দীর্ঘ যাত্রায় তাদের বাস ও পায়ে হেঁটে ১৩ থেকে ১৫টি দেশ অতিক্রম করতে হয়েছে। এ ছাড়া একজন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ব্রাজিল হয়ে একই রুট ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আরেকজন নিউইয়র্ক রুট দিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করেন।

ফেরত আসা ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী ব্রাজিল রুট ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)-এর ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিলে গিয়েছিলেন। অন্যরা ট্যুরিস্ট ভিসায় ব্রাজিলে প্রবেশের পর দালালচক্রের সহায়তায় একই অনিয়মিত পথে যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তাদের কেউ কেউ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজও করেন। তবে বৈধ অভিবাসনের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে না পারায় তারা মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েন। পরে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

কেএমএএ/আপ্র/৩০.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৫ জন
৩০ জুলাই ২০২৬

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৫ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্...

প্রধানমন্ত্রীকে রক্তে ভেজা ঐতিহাসিক পতাকাটি তুলে দিলেন জুলাইযোদ্ধা আজিজুর
৩০ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীকে রক্তে ভেজা ঐতিহাসিক পতাকাটি তুলে দিলেন জুলাইযোদ্ধা আজিজুর

মাথায় গুলির গুরুতর ক্ষত ও শরীরে বহন করা অন্তত ৩৬টি স্প্লিন্টারের যন্ত্রণা নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের দীর...

একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি ৪৬৩ জন
৩০ জুলাই ২০২৬

একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি ৪৬৩ জন

দেশে গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিনজনের প্রাণ গেছে। এই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬৩ জন। এ...

‘আগস্টের শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু’
৩০ জুলাই ২০২৬

‘আগস্টের শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু’

দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আগামী আগস্টের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ থেকে নতুন কর্মী মালয়েশিয়ায়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে