গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মেনু

মহান মে দিবস: শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩৯ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৪:৫৯ এএম ২০২৬
মহান মে দিবস: শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
মে মাসের প্রথম দিনটি বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের এক ঐতিহাসিক প্রতীক, মহান মে দিবস। এই দিনটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয় বরং এটি শ্রমিকদের সংগ্রাম, ত্যাগ এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার এক গৌরবময় ইতিহাস বহন করে। শ্রমিক শ্রেণির রক্তঝরা আন্দোলনের ফসল হিসেবে অর্জিত হয়েছে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস, ন্যায্য মজুরি, কর্মস্থলের নিরাপত্তা এবং মানবিক কর্মপরিবেশের অধিকার। তাই মে দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি শ্রমিক, আর তাদের নিরাপত্তা ও অধিকারসমূহ নিশ্চিত করাই একটি সভ্য রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

উনিশ শতকের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পবিপ্লবের প্রভাবে কারখানাভিত্তিক উৎপাদন দ্রুত বাড়তে থাকে। কিন্তু শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত শোষণমূলক। দিনে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হতো, মজুরি ছিল অল্প, নিরাপত্তা ছিল না বললেই চলে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে শ্রমিক সংগঠনগুলো ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে সংগঠিত হতে শুরু করে। ১৮৮৬ সালের ১ মে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ৩ লাখ শ্রমিক ধর্মঘটে অংশ নেন। শিকাগো ছিল এই আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল। প্রতিদিন মিছিল, সমাবেশ, ধর্মঘট চলছিল। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল। ৩ মে, শিকাগোর ম্যাককরমিক হারভেস্টিং মেশিন কোম্পানির সামনে ধর্মঘটরত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ধর্মঘট ভাঙতে কারখানার ভেতরে বিকল্প শ্রমিক ঢোকানো হলে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা প্রতিবাদ জানান। পুলিশ গুলি চালালে অন্তত ৬ জন শ্রমিক নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ড শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ৪ মে সন্ধ্যায় শিকাগোর হে-মার্কেট স্কয়ারে একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ আহ্বান করা হয়। সমাবেশে বক্তারা শ্রমিকদের ওপর পুলিশের সহিংসতার প্রতিবাদ করেন এবং শ্রমিক অধিকার নিয়ে বক্তব্য দেন। উপস্থিত জনসংখ্যা শুরুতে কয়েক হাজার হলেও বৃষ্টি শুরু হওয়ায় শেষের দিকে তা কমে আসে।

সমাবেশ প্রায় শেষের দিকে, তখন পুলিশ হঠাৎ এগিয়ে এসে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেয়। ঠিক সেই মুহূর্তে অজ্ঞাত পরিচয়ের একজন ব্যক্তি পুলিশের দিকে একটি বোমা নিক্ষেপ করে। বোমা বিস্ফোরণে একজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন এবং কয়েকজন আহত হন। এর পরপরই পুলিশ দিকভ্রান্ত হয়ে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। ঠিক কতজন শ্রমিক নিহত হন তা নির্দিষ্টভাবে জানা যায় না, তবে ধারণা করা হয় ৭ থেকে ৮ জন পুলিশ এবং বহু শ্রমিক নিহত ও আহত হন। এই গুলিবর্ষণ ছিল সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল এবং নিয়ন্ত্রণহীন। অনেক শ্রমিক পুলিশের গুলিতে মারা যান, আবার কিছু পুলিশ নিজেদের গুলিতেও হতাহত হন। ঘটনার পর পরই পুলিশ শ্রমিক নেতাদের গ্রেপ্তার করে। আটজন অরাজকতাবাদী নেতাকে এই ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়, যদিও তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি বোমা নিক্ষেপের প্রমাণ ছিল না। বিচার প্রক্রিয়াটি ছিল ব্যাপকভাবে সমালোচিত। পক্ষপাতদুষ্ট জুরি, দুর্বল প্রমাণ এবং রাজনৈতিক চাপের কারণে বিচারটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত ৮ জনের মধ্যে ৪ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়, ১ জন কারাগারে আত্মহত্যা করেন এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে ১৮৯৩ সালে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের গভর্নর জন পিটার অল্টগেল্ড বাকি অভিযুক্তদের ক্ষমা করে দেন এবং বিচার প্রক্রিয়াকে অন্যায় বলে স্বীকার করেন।

ওই ঘটনার গভীর প্রভাব পড়ে বিশ্বজুড়ে শ্রমিক আন্দোলনে। ১৮৮৯ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে ১ মে-কে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মত্যাগের স্মরণে। হে মার্কেটের ঘটনা শুধু একটি সহিংস সংঘর্ষ নয়, এটি শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতীক। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসী উপলব্ধি করে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করলে সামাজিক অস্থিরতা অনিবার্য হয়ে ওঠে। ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস, শ্রমিক সংগঠনের অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এসব অর্জনের পেছনে হে মার্কেটের শ্রমিকদের আত্মত্যাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

দেশের শিল্প, কৃষি, নির্মাণ, পরিবহন প্রতিটি খাতেই শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। তারা ঘাম ঝরিয়ে, কঠোর পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক ক্ষেত্রেই শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। কম মজুরি, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, নিরাপত্তাহীন কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক সুরক্ষার অভাব তাদের জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তৈরি পোশাক শিল্প, নির্মাণ খাত, পরিবহন ব্যবস্থা ও কৃষিখাতে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কাজ করছেন। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে তারা যে অবদান রাখছেন, তা অনস্বীকার্য। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক ক্ষেত্রেই তাদের কর্মস্থলের নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হয় না।

কর্মস্থলের নিরাপত্তা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি একটি মৌলিক মানবাধিকার। একজন শ্রমিক যখন কাজে যোগ দেন, তখন তার জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মালিকপক্ষের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, অনেক কারখানা ও কর্মস্থলে নিরাপত্তা মানদণ্ড যথাযথভাবে মানা হয় না। অগ্নিকাণ্ড, ভবন ধস, যন্ত্রপাতির ত্রুটি এসব কারণে প্রায়ই শ্রমিকদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। অতীতে বিভিন্ন দুর্ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, নিরাপত্তা অবহেলার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এসব ঘটনা শুধু কিছু প্রাণহানি নয়, বরং অসংখ্য পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে দেয়।

কর্মস্থলের নিরাপত্তাহীনতার পেছনে বেশকিছু কারণ রয়েছে। অনেক মালিক ব্যয় কমানোর জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবহেলা করেন। নিরাপত্তা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ না করে তারা স্বল্পমেয়াদি লাভের দিকে বেশি মনোযোগ দেন। শ্রম আইন বাস্তবায়নের দুর্বলতা একটি বড় সমস্যা। আইন থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ না হলে তা কার্যকর হয় না। তদারকির অভাব ও দুর্নীতি পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তোলে। শ্রমিকদের সচেতনতার অভাবও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। অনেক শ্রমিক তাদের অধিকার সম্পর্কে অবগত নন। ফলে তারা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশেও কাজ করতে বাধ্য হন।

একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। নিরাপদ কর্মপরিবেশ শুধু দুর্ঘটনা কমায় না, বরং শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। একজন শ্রমিক যখন নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে কাজ করেন, তখন তার কাজে মনোযোগ ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, নিরাপত্তাহীন পরিবেশে কাজ করলে শ্রমিকদের মধ্যে ভয়, অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপ তৈরি হয়, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে শিল্প ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকার, মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। শ্রম আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। নিয়মিত পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে, কোনো প্রতিষ্ঠান যেন নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন না করে। মালিকদের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি। তাদের বুঝতে হবে, নিরাপত্তায় বিনিয়োগ কোনো ব্যয় নয় বরং এটি দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক।
শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, জরুরি নির্গমন পথ, সুরক্ষা সরঞ্জাম এসব নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শ্রমিকদের নিরাপত্তা শুধু আইনগত দায়িত্ব নয়, এটি একটি নৈতিক দায়িত্বও। একজন শ্রমিক তার পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করেন। তাই তার জীবন রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। সমাজের প্রতিটি স্তরে শ্রমিকদের প্রতি সম্মান ও সহানুভূতির মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। তাদেরকে শুধু শ্রমিক হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে। মে দিবস আমাদের শুধু অতীতের সংগ্রামের কথা মনে করিয়ে দেয় না, বরং বর্তমান ও ভবিষ্যতের দায়িত্বও স্মরণ করিয়ে দেয়। এই দিনে শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালন করলেই চলবে না বরং শ্রমিকদের বাস্তব সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রতিটি কর্মস্থলকে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানবিক পরিবেশে রূপান্তর করতে পারলেই মে দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য বাস্তবায়িত হবে।

মহান মে দিবস শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অনন্য প্রতীক। কিন্তু এই অধিকার তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন প্রতিটি শ্রমিক নিরাপদ কর্মপরিবেশে কাজ করতে পারবেন। উন্নত, মানবিক ও টেকসই সমাজ গঠনের জন্য শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা অপরিহার্য। শ্রমিক অধিকার কখনোই সহজে অর্জিত হয়নি বরং তা এসেছে ত্যাগ, সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে। আজ আমরা যে শ্রম অধিকার ভোগ করি, তার পেছনে রয়েছে শ্রমিকদের আত্মত্যাগ। মে দিবস শুধু একটি দিবস নয়, বরং একটি প্রতিশ্রুতি শ্রমিকের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার।

লেখক: শিক্ষক, কবি, সমাজসেবক ও সংগঠক
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

আপ্র/কেএমএএ/৩০.০৪.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

কাপাসিয়ার রক্তে রঞ্জিত পরিবারের প্রশ্ন- মানুষ কেন আপনজনের খুনি হয়
১৩ মে ২০২৬

কাপাসিয়ার রক্তে রঞ্জিত পরিবারের প্রশ্ন- মানুষ কেন আপনজনের খুনি হয়

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা আমাদের সময়ের এক ভয়াবহ সামাজিক দ...

সুশাসনের স্বপ্নে এক মানবিক বাংলাদেশ
১০ মে ২০২৬

সুশাসনের স্বপ্নে এক মানবিক বাংলাদেশ

অধ্যাপক ড. মোহা. হাছানাত আলী বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এই ভূখণ্ডের জন্মই হয়েছে সংগ্রাম, স্বপ্ন ও আ...

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের কারণ এবং তার প্রভাব
১০ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের কারণ এবং তার প্রভাব

আব্দুর রহমান পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বড় জয় পেয়েছে। ২৯৪ আসনের বিধানসভা...

স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিকতা জাতীয় ঐক্যের অন্তরায়
০৯ মে ২০২৬

স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিকতা জাতীয় ঐক্যের অন্তরায়

মনজুরুল আলম মুকুলস্বাধীনতার পর দেশে অনেক গণআন্দোলন হয়েছে। বন্দুকের নলের সামনে আগে কাউকে কখনও এমন বুক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ সুদহার নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টের রুল জারি

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট। আপনি কি মনে করেন- গ্রামীণ ব্যাংক সবচেয়ে চড়া সুদ আদায় করে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে