গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

মাদকাসক্ত ব্যক্তির পরিবারের অন্য সদস্যদের অসুস্থ আচরণ ও সহ আসক্তি

শুভাশীষ কুমার চ্যাটার্জী

শুভাশীষ কুমার চ্যাটার্জী

প্রকাশিত: ১৩:০৮ পিএম, ১৩ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২০:০৫ এএম ২০২৬
মাদকাসক্ত  ব্যক্তির পরিবারের অন্য  সদস্যদের অসুস্থ আচরণ ও সহ আসক্তি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি শারীরিক, মানসিক, সামাজিক,  দর্শনগত ( Philosophical)  আধ্যাত্মিক ভাবে অসুস্থ থাকেন  কিন্তু তার প্রভাব পরিবারের অন্য সদস্য দের উপর মারাত্মক ভাবে পরিলক্ষিত হয়। তাই মাদাসক্তি কে একটি পারিবারিক রোগ বলা যায়।

সহ -আসক্তি কি?  সহ - আসক্তি  মানসিক ও আচরণগত অবস্থা কে বুঝায় যেখানে পরিবারে সদস্যরা ব্যক্তির সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ,  লুকিয়ে রাখা, বা সামাল দেয়ার চেস্টায় নিজেদের জীবন,  আবেগ ও নিজস্ব চাহিদা কে উপেক্ষা করেন। পরিবারের সদস্যরা মনে করেন তারা তাদের মাদকাসক্ত সন্তান বা পরিবার এর একজন কে সুস্থ হওয়ার জন্য সাহায্য করছেন কিন্তু বাস্তবে পরোক্ষভাবে তাকে   মাদক সেবনে সাহায্য করছেন।

কিভাবে একজন মাদক সেবীর পরিবার সহ- আসক্ত এর ভূমিকা পালন করে থাকেন
১। সমস্যাকে অস্বীকার করা
অনেক পরিবার সামাজিক অপবাদ, লজ্জা, সম্মান হানির ভয়,ইত্যাদি কারনে মাদক গ্রহন কারি ব্যক্তির বাস্তবতা কে স্বীকার করতে চায় না।কেউ কেউ বলে থাকেন সে চাইলে ছাড়তে পারবে, এটা সাময়িক ব্যাপার, কেউ বলে সে  মাঝে মাঝে খায়।

২। পরিনতি থেকে রক্ষা করা
কেউ কেউ মাদকাসক্ত ব্যক্তি কে মাদক কেনার টাকা দিয়ে সাহায্য করেন,কেউ কেউ ঋণ শোধ করে দেন, কেউ কেউ বার বার আইনি সমস্যা থেকে উদ্ধার করেন।

৩। অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ এর চেস্টা
কেউ কেউ সারাক্ষণ নজরদারি করে থাকেন,এর ফলে আসক্ত ব্যক্তি আরো গোপনীয় হয়ে ওঠে।

আত্মত্যাগ এর দুস্টচক্র :
বিশেষ করে বাবা মা, বা জীবন সংগীরা নিজেদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে উপেক্ষা করে আসক্ত ব্যক্তির পেছেন সব শক্তি ব্যয় করে থাকেন।এতে তাদের মধ্যে উদ্বেগ,  বিষন্নতা ও বার্ন আউট দেখা দেয়।

আবেগীয় নির্ভরশীলতা
কোন পরিবারের সদস্য মনে করেন আসক্ত ব্যক্তি কে বাঁচানো তার একমাত্র দায়িত্ব।

সহ- আসক্তির প্রভাব 
দুশ্চিন্তা 
বিষন্নতা
অপরাধ বোধ
নিম্ন আত্মসম্মান বোধ
ট্রমা ও মানসিক চাপ

করনীয় 
পরিবার গ্রহন যোগ্য ও অগ্রহন যোগ্য আচরণ এর সীমা নির্ধারণ করবে,
নিজের যত্ন নেয়া, কাউন্সেলিং , পারিবারিক থেরাপি।

ডি সার্ণ ২০২১ একটা গবেষণায় দেখেন যে মাদকাসক্ত পরিবার এর সদস্যরা দীর্ঘ মেয়াদি মানসিক চাপ, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, এবং জীবন মানের অবনতির শিকার হন।

শুভাশীষ কুমার চ্যাটার্জী
সাইকোলজিস্ট 


এসি/আপ্র/১৩/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

দেশ বদলাতে চাইলে, শিক্ষকের জীবনমান ও শিক্ষা বদলান
২৯ জুলাই ২০২৬

দেশ বদলাতে চাইলে, শিক্ষকের জীবনমান ও শিক্ষা বদলান

মোঃ সেলিমুজ্জামানএকটি দেশের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু উঁচু দালান, প্রশস্ত সড়ক, উচ্চতর ডিগ্রি, ভালো ফলাফল কি...

একদিকে ক্ষুধার লড়াই, অন্যদিকে কোটিপতির উত্থান
২৯ জুলাই ২০২৬

একদিকে ক্ষুধার লড়াই, অন্যদিকে কোটিপতির উত্থান

শাহানা হুদা রঞ্জনা    অনেকের মনেই এখন একই প্রশ্ন- একই অঙ্কের বেতন পেয়েও গত কয়েক...

রেন্টাল ও এলপিজির ভুল থেকে কি শিক্ষা নেবে বিদ্যুৎ বিতরণ খাত?
২৯ জুলাই ২০২৬

রেন্টাল ও এলপিজির ভুল থেকে কি শিক্ষা নেবে বিদ্যুৎ বিতরণ খাত?

এম এম মুসা======একটি প্রশ্ন করা যাক। খুব সহজ প্রশ্ন। বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি হলে টাকা যাবে কার পকেটে?...

ক্লিনিক থেকে ক্লিনিকে, বাড়ছে ‘অ্যাসথেটিক’ অর্থনীতি
২৯ জুলাই ২০২৬

ক্লিনিক থেকে ক্লিনিকে, বাড়ছে ‘অ্যাসথেটিক’ অর্থনীতি

শোয়েব সাম্য সিদ্দিক ====ঢাকার বাণিজ্যিক ভবনগুলোর চিত্র এখন অনেকটাই বদলে গেছে। একই ভবনে রেস্তোরাঁর পা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে