গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

মায়েদের গায়ে হাত দিলে বসে থাকব না, বললেন জামায়াতের আমির

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:০৪ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০২:০৭ এএম ২০২৬
মায়েদের গায়ে হাত দিলে বসে থাকব না, বললেন জামায়াতের আমির
ছবি

বুধবার রাজধানীর মনিপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা সমাবেশে বক্তব্য দেন দলটির আমির শফিকুর রহমান -ছবি সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী–সমর্থকদের ওপর দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটছে অভিযোগ করে দলটির আমির শফিকুর রহমান বলেন, যাঁরা মায়ের গায়ে হাত বাড়িয়েছেন, অপমান করেছেন; ক্ষমা চান। আল্লাহ মাফ করে দেবেন।

অন্যথায় জামায়াত নেতা-কর্মীরা বসে থাকবে না হুঁশিয়ারি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের জীবনের চাইতে আমাদের মায়েদের ইজ্জতের মূল্য আমাদের কাছে অনেক বেশি। আর যদি কেউ হাত বাড়ানোর চেষ্টা করে, ইনশা আল্লাহ আমরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকব না।’

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতের মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এ কথা বলেন। মণিপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জামায়াতের আমির আরো বলেন, ‘মায়ের সন্তানেরা আমরা গর্জে উঠব। যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের মায়েদের মর্যাদা ইনশা আল্লাহ রক্ষা করব। অপশন দুইটা-একটা হচ্ছে নিজে পরিবর্তন হয়ে ভালো হয়ে যাওয়া, মাকে সম্মান করা। আর না হলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য সমস্ত দায় নিতে প্রস্তুত থাকা।’

এ সময় শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা মাতৃতান্ত্রিকতাও চাই না, পিতৃতান্ত্রিকতাও চাই না। আমরা একটা মানবিক সমাজ চাই। উভয়ের সমন্বয়ে আমরা একটা মানবিক সমাজ চাই। আমরা কোনো ক্লেশ, কোনো বিভাজন চাই না-ধর্মেও চাই না, বর্ণে চাই না। আমরা কোনো জেন্ডারেও বৈষম্য চাই না।’

ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘১২ তারিখে (ফেব্রুয়ারি) দুটি ভোট। একটা হচ্ছে “হ্যাঁ” ভোট (গণভোট)। “হ্যাঁ” মানে হচ্ছে বাংলাদেশ জিতে যাওয়া, “হ্যাঁ” মানে আজাদি। “হ্যাঁ” মানে ফ্যাসিবাদ যন্ত্রণা আর ফিরে না আসা। ইনশা আল্লাহ আমাদের প্রথম ভোটটি হবে “হ্যাঁ”।’

দ্বিতীয় ভোট (দলের প্রতীকে) ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘দূর অতীতে আমাদের যাওয়ার দরকার নাই। যেদিন থেকে আল্লাহ মুক্তির ব্যবস্থা করে দিলেন ৫ আগস্ট ২০২৪ সাল, সেদিন থেকে কার আমলনামা কেমন, কার দৃষ্টিভঙ্গি, চলাফেরা, কাজকর্ম, আচার-আচরণ কেমন, সেটা আপনাদের সবার সামনে পরিষ্কার। এখানে যাদের সুনীতির ওপর পাব, যাদের ওপর আস্থা রাখতে পারব, ইনশা আল্লাহ ১২ তারিখের ভোট তাদের পক্ষে হবে।’

সানা/আপ্র/২৮/০১/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে উত্তপ্ত রাজপথ, মুখোমুখি বিএনপি-পুলিশ
২৯ জুলাই ২০২৬

এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে উত্তপ্ত রাজপথ, মুখোমুখি বিএনপি-পুলিশ

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা, চট্টগ্রামেও সংঘর্ষ

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার বৈঠকে বসছে বিএনপি
২৯ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার বৈঠকে বসছে বিএনপি

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে ক্ষমতাসীন বিএনপি। দলটি...

৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা ইতিহাস বিকৃতি: লতিফ সিদ্দিকী
২৯ জুলাই ২০২৬

৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা ইতিহাস বিকৃতি: লতিফ সিদ্দিকী

মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের কোনো অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের...

৫১ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে চুপ্পুর গ্রেফতার ঠেকানো যাবে না: আখতার হোসেন
২৭ জুলাই ২০২৬

৫১ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে চুপ্পুর গ্রেফতার ঠেকানো যাবে না: আখতার হোসেন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, ‘স...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে