গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

দেশে ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজন তৈরির সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১০ পিএম, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৩৩ এএম ২০২৬
দেশে ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজন তৈরির সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
ছবি

দেশে ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজন তৈরির সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রায় ধর্মকে পুঁজি করে কোনো ধরনের বিভাজন তৈরির সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর ভাটারায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে কিছু সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক শক্তি ধর্মকে সামনে রেখে স্বার্থের রাজনীতি করতে চায়। তবে বাংলাদেশের হাজার বছরের সামাজিক প্রেক্ষাপটে ধর্ম নিয়ে বিভাজন তৈরির কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরো বলেন, “আমরা এই ভূখণ্ডে হাজার হাজার বছর ধরে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের মধ্যে শান্তিতে বসবাস করছি। ধর্মবিশ্বাস একান্তই মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়, এটাকে আমরা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে চাই না। আমরা আমাদের প্রিয় দেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবেই বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।”

কিছু রাজনৈতিক দলের নেতিবাচক ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, “কিছু অশুভ শক্তি রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে আমাদের মাঝে অনৈক্য ও বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টা করে। এমনকি কোনো কোনো দল মহান মুক্তিযুদ্ধকেও অস্বীকার করতে চায় যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের উচিত এই বৈচিত্র্যের মাঝে নিজেদের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য আরও বাড়িয়ে তোলা।”

দেশে চলমান অনাকাঙ্ক্ষিত জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জটিল পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট এই সংকটের মধ্যেও বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেশের বাইরে থেকে দ্রুত জ্বালানি আমদানির সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলেন, “সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বারবার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছেন যে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুদ আছে। এরপরও দেখা যাচ্ছে কিছু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বাইকে করে বারবার তেল সংগ্রহ করছেন, যা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। কোনো ধরনের গুজবে কান দেওয়া যাবে না।”

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, “বিএনপি তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে আপনাদের অকুণ্ঠ সহায়তায় সরকার গঠন করেছে, এজন্য আপনাদের সকলের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। সত্য ও ন্যায়কে সামনে রেখেই আমরা দেশকে আলোর পথে এগিয়ে নিয়ে যাব।”

এসি/আপ্র/০৫/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

৫১ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে চুপ্পুর গ্রেফতার ঠেকানো যাবে না: আখতার হোসেন
২৭ জুলাই ২০২৬

৫১ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে চুপ্পুর গ্রেফতার ঠেকানো যাবে না: আখতার হোসেন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, ‘স...

পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতারের দাবি ইনকিলাব মঞ্চের
২৪ জুলাই ২০২৬

পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতারের দাবি ইনকিলাব মঞ্চের

সদ্য পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ মিছিল...

এনসিপি কার্যালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা
২২ জুলাই ২০২৬

এনসিপি কার্যালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্...

ভিডিও বিতর্কে বহিষ্কার গাজী নজরুল, এমপি পদ নিয়ে প্রশ্ন
২৩ জুলাই ২০২৬

ভিডিও বিতর্কে বহিষ্কার গাজী নজরুল, এমপি পদ নিয়ে প্রশ্ন

এক নারীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের জ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 10 ঘন্টা আগে