গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

মেনু

নিবন্ধ===

প্রদীপের আলোর সীমানা ছাড়িয়ে: দীপাবলির সর্বজনীন বার্তা

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:০৬ পিএম, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২০:৫৩ এএম ২০২৬
প্রদীপের আলোর সীমানা ছাড়িয়ে: দীপাবলির সর্বজনীন বার্তা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

নিকোলাস বিশ্বাস

 

প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কোটি কোটি মানুষ ঘরবাড়ি, সড়ক ও জনপদ আলোকসজ্জায় সাজিয়ে উদ্যাপন করেন দীপাবলি, যা আলোর উৎসব হিসেবে সুপরিচিত। তবে এটি কেবল একটি ধর্মীয় আচার কিংবা বর্ণিল সাংস্কৃতিক উৎসব নয়; এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য হলো আলো ও অন্ধকার, শুভ ও অশুভ এবং জ্ঞান ও অজ্ঞতার মধ্যকার চিরন্তন দ্বন্দ্বে উত্তমতার বিজয়। আচার-অনুষ্ঠান, সাজসজ্জা ও উৎসবের আনন্দের বাইরেও এর রয়েছে গভীর মানবিক শিক্ষা। সংঘাত, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য ও পরিবেশবিপর্যয়ে বিপর্যস্ত বর্তমান বিশ্বে এই উৎসবের অন্তর্নিহিত মূল্যবোধ নতুন করে উপলব্ধি করা জরুরি।

সংস্কৃত দীপাবলি শব্দের অর্থ প্রদীপের সারি। এটি অন্যায় ও অকল্যাণের বিরুদ্ধে ন্যায় ও শুভবোধের এবং হতাশার বিরুদ্ধে আশার প্রতীক। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে দীপাবলি মূলত চৌদ্দ বছরের বনবাস শেষে সীতা ও লক্ষ্মণকে সঙ্গে নিয়ে ভগবান রামের অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন এবং রাবণের বিরুদ্ধে তার বিজয়কে স্মরণ করে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, রামের প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাতে অযোধ্যাবাসী ঘরে ঘরে মাটির প্রদীপ জ্বালিয়েছিলেন। সেই ঐতিহ্য থেকেই দীপাবলিতে প্রদীপ প্রজ্বালন শুভশক্তির বিজয়ের চিরন্তন প্রতীকে পরিণত হয়েছে। তবে দীপাবলির ধর্মীয় তাৎপর্য একটি কাহিনির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভগবান কৃষ্ণের নরকাসুর বধের স্মরণেও এই উৎসব পালিত হয়। বাংলায় একই সময়ে উদ্যাপিত হয় শ্যামাপূজা বা কালীপূজা- যা এ অঞ্চলের স্বতন্ত্র ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচায়ক। জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে দীপাবলি মহাবীরের নির্বাণলাভের স্মারক। অন্যদিকে, শিখ সম্প্রদায় পালন করে বন্দি ছোড় দিবস, যা গুরু হরগোবিন্দজির কারামুক্তির স্মৃতিবাহী। ভিন্ন ভিন্ন ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য থাকা সত্ত্বেও এসব ঐতিহ্যের মধ্যে মুক্তি, ন্যায় ও আলোকপ্রাপ্তির অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়।

আলোর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য: দীপাবলির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিহিত রয়েছে এর প্রতীকী অর্থে। মাটির প্রদীপ জ্বালানো নিছক ঘর সাজানোর আয়োজন নয়; অজ্ঞতা, ঘৃণা, ভয় ও অবিচারকে পরাভূত করার মানবিক আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। ঘরের বাইরের আলো যেন মানুষের বিবেক ও সমাজের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনেরও অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। বর্তমান পৃথিবীতে অন্ধকার বলতে কেবল আলোর অনুপস্থিতিকে বোঝায় না। বৈষম্য, দুর্নীতি, সহিংসতা, শোষণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারহীনতার মধ্যেও অন্ধকারের প্রকাশ ঘটে। এখনো লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্য, নিরাপত্তাহীনতা ও বঞ্চনার শিকার। যুদ্ধ, সংঘাত ও মানবিক সংকট অসংখ্য মানুষের জীবন ও মর্যাদাকে বিপন্ন করছে। এ বাস্তবতায় দীপাবলি আমাদের আলোকপ্রাপ্তির প্রকৃত অর্থ নিয়ে ভাবতে শেখায়। প্রকৃত উদ্যাপন হওয়া উচিত কুসংস্কারের পরিবর্তে উপলব্ধি, বিদ্বেষের পরিবর্তে সহমর্মিতা এবং উদাসীনতার পরিবর্তে দায়িত্বশীলতা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। অন্যায় ও মানুষের দুর্ভোগের প্রতি উদাসীন থেকে কোনো সমাজ প্রকৃত অর্থে শুভশক্তির বিজয় উদ্যাপন করতে পারে না।

ধর্মীয় সীমানা ছাড়িয়ে সম্প্রীতির উৎসব: দীপাবলির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক সীমানা অতিক্রম করে মানুষকে একত্রিত করার ক্ষমতা। দক্ষিণ এশিয়ার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে শিকড় থাকলেও বর্তমানে এ উৎসব আন্তর্জাতিক পরিসরে বিস্তৃত হয়েছে। ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশ থেকে শুরু করে সিঙ্গাপুর, মরিশাস, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ দীপাবলির আনন্দ ভাগাভাগি করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সামাজিক সমাবেশ, পারিবারিক মিলনমেলা এবং মিষ্টি বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এ উৎসব মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য যখন কখনো বিভাজনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন দীপাবলির এই অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যের ধর্মীয় উৎসবকে সম্মান জানানোর অর্থ নিজের বিশ্বাস পরিত্যাগ করা নয়; বরং মানবসভ্যতার অবিচ্ছেদ্য বৈশিষ্ট্য হিসেবে বৈচিত্র্যকে স্বীকৃতি দেওয়া।

ভারত ও বাংলাদেশের মতো বহুধর্মীয় সমাজে- যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি বসবাস ও সামাজিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন, দীপাবলি ধর্মীয় সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ পুনর্ব্যক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ্য। তবে ধর্মীয় সম্প্রীতি কেবল উৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। এর জন্য প্রয়োজন ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমান নাগরিক অধিকার, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি অন্যের অধিকার ও মর্যাদা যখন হুমকির মুখে পড়ে, তখনও যারা ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে দাঁড়ান, তাদের মধ্যেই বহুত্ববাদী সমাজের প্রকৃত চেতনা প্রতিফলিত হয়।

উৎসবের আনন্দে পরিবেশগত দায়িত্ব: দীপাবলির আধুনিক উদ্যাপনে পরিবেশগত দায়িত্বশীলতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। আতশবাজি ও অতিরিক্ত পটকার ব্যবহার বায়ু ও শব্দদূষণ বাড়ায়। এর ক্ষতিকর প্রভাব বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ, শ্বাসকষ্টে ভোগা মানুষ এবং প্রাণীদের ওপর পড়ে। জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ুর ক্রমাবনতি ও পরিবেশগত সংকটের এই সময়ে উৎসব পালনের ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। ঐতিহ্যবাহী মাটির প্রদীপ, বিদ্যুৎসাশ্রয়ী আলোকসজ্জা, প্রাকৃতিক রং এবং পরিবেশবান্ধব সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে উৎসবের সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখেই পরিবেশের ক্ষতি কমানো সম্ভব। অতিরিক্ত আতশবাজির পরিবর্তে নিরাপদ ও কম শব্দযুক্ত বিকল্প গ্রহণও প্রতিবেশী, অসুস্থ মানুষ এবং প্রাণীদের প্রতি দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে। যে পরিবেশ মানুষের জীবনধারণের ভিত্তি, ওই পরিবেশ দূষিত করে আলোর বিজয় উদযাপনের মধ্যে একটি স্পষ্ট বৈপরীত্য রয়েছে। তাই প্রকৃত আলোকিত উৎসবের সঙ্গে পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতাও নিশ্চিত করতে হবে।

সমৃদ্ধি হোক সবার কল্যাণে: দীপাবলি সমৃদ্ধির উৎসব হিসেবেও পরিচিত। দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান গণেশের পূজার মধ্য দিয়ে পরিবারগুলো সম্পদ, সাফল্য, প্রজ্ঞা ও মঙ্গল কামনা করে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে নতুন হিসাবের খাতা খোলা হয়, পরিবারে উপহার বিনিময় হয় এবং বাজারে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়। এই উৎসবটি বিশেষত ভারতের উত্তরাঞ্চলে বেশী প্রচলিত। তবে সমৃদ্ধিকে শুধু সম্পদ আহরণ, ভোগবিলাস কিংবা বস্তুগত অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। এর প্রকৃত অর্থ নিহিত রয়েছে অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি, ন্যায়সংগত উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামগ্রিক সামাজিক কল্যাণে। দীপাবলি পরিবারের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর সমাজের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশেরও সুযোগ করে দেয়। সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে সহায়তা, ক্ষুধার্ত মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, দরিদ্র শিশুদের শিক্ষাসামগ্রী প্রদান এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে উৎসবের উদারতাকে বাস্তব সামাজিক কর্মকাণ্ডে রূপ দেওয়া সম্ভব। একটি বিত্তশালী পরিবারের ঘরে প্রদীপের আলো নিঃসন্দেহে সুন্দর; কিন্তু একটি অসহায় পরিবারের দুর্দশা লাঘবে এগিয়ে আসা দীপাবলির চেতনাকে আরও অর্থবহ করে তোলে। এই উৎসব মানবতাকে জাগ্রত করার একটি অপূর্ব সুযোগ এনে দিতে পারে।

দীপাবলির আলো ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিদিনের জীবনে: দীপাবলিকে শুধু আলোকসজ্জা, রঙিন আয়োজন, মিষ্টি কিংবা পারিবারিক মিলনমেলার বার্ষিক উৎসব হিসেবে বিবেচনা করলে এর প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। এর স্থায়ী গুরুত্ব নির্ভর করে উৎসবের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষাগুলো আমাদের দৈনন্দিন আচরণে কতা প্রতিফলিত হচ্ছে, এর ওপর। পৃথিবীর সাময়িক আলোকসজ্জার চেয়ে আজ অনেক বেশি প্রয়োজন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার মানুষ, বৈচিত্র্যকে সম্মান জানাতে প্রস্তুত সমাজ এবং মানবিক মর্যাদা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। ঘৃণার পরিবর্তে সহমর্মিতা, সংঘাতের পরিবর্তে সংলাপ এবং পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের পরিবর্তে দায়িত্বশীল উন্নয়নই হোক এবারের দীপাবলির অঙ্গীকার। দীপাবলির অসংখ্য প্রদীপ যখন ঘরবাড়ি ও জনপদ আলোকিত করবে, তখন আমাদের নিজেদেরও একটি প্রশ্ন করা প্রয়োজন- আমরা অন্যের জীবনে কী ধরনের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছি? দীপাবলির সবচেয়ে সার্থক উদ্যাপন হবে এমন এক সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না, কোনো পরিবার মর্যাদাহীন জীবনযাপনে বাধ্য হবে না, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো সম্প্রদায় ভয়ের মধ্যে দিন কাটাবে না এবং দুর্দিনে কোনো মানুষ অসহায় অবস্থায় পরিত্যক্ত থাকবে না।

প্রদীপের আলো এক সময় নিভে যাবে, উৎসবের সাজসজ্জাও এক সময়ে মুছে যাবে। কিন্তু দয়া, ন্যায়বিচার, সহনশীলতা ও সংহতির মূল্যবোধ যেন কখনো নিভে না যায়। তাই এবারের দীপাবলিতে প্রদীপ প্রজ্বালনের আনন্দ ছাপিয়ে আলোকিত হোক মানুষের বিবেক, সুদৃঢ় হোক পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং জাগ্রত হোক সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা। কারণ, আলোর প্রকৃত বিজয় শুধু চারপাশকে আলোকিত করার মধ্যে নয়, বরং মানুষ নিজের ভেতরে কী ধরনের মানবিক সত্তা গড়ে তুলছে, এর মধ্যেই নিহিত। দীপাবলির আলোকসজ্জায় আমরাও যেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মানবতার আলোয়ে নিজেদের হৃদয়কে প্রজ্বলিত করি। এভাবেই সার্থক হবে এই সার্বজনীন আলোর উৎসব: পবিত্র দীপাবলি। জয় হোক আলোকের!

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত

 

কেএমএএ/আপ্র/০৬.১১.২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

তন্দ্রা হারা ঢেউ ও নীল বেদনা
০৬ নভেম্বর ২০২৬

তন্দ্রা হারা ঢেউ ও নীল বেদনা

মোহাম্মদ আলীম-আল-রাজী  যখন তোমার খুব খারাপ লাগবে ভারী,সমুদ্রের কাছে তুমি যেও নদী পাড়ি।কান...

কাকে আর কী বলবো!
০৬ নভেম্বর ২০২৬

কাকে আর কী বলবো!

কবিতা===

জোনাথন সুইফটের গালিভারস ট্রাভেলস মানব চরিত্রের এক নির্মম ব্যবচ্ছেদ
৩০ অক্টোবর ২০২৬

জোনাথন সুইফটের গালিভারস ট্রাভেলস মানব চরিত্রের এক নির্মম ব্যবচ্ছেদ

বিখ্যাত ব্যঙ্গ রচনা ‘গালিভারস ট্রাভেলস’ প্রকাশের ৩০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়ারল্যান্ডে চলছে নানা আয়োজন...

হেমন্তের হৈমন্তী
৩০ অক্টোবর ২০২৬

হেমন্তের হৈমন্তী

নিবন্ধ===

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

রাস্তায় যারা এখন আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাস্তায় যারা এখন আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য একটি মহল অপচেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে চিংড়ি মহাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে সঠিক মনে করেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে