গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

ইতিহাস বিকৃতি নয়,

শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিতের আহ্বান চট্টগ্রাম মেয়রের

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৪৩ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫৮ এএম ২০২৬
শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিতের আহ্বান চট্টগ্রাম মেয়রের
ছবি

শনিবার সন্ধ্যায় নগরের জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম মাঠে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ -ছবি সংগৃহীত

শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর প্রাপ্য সম্মান অবশ্যই দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকার কারণে ইতিহাস পরিবর্তন করা যায় না।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরের জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম মাঠে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ বক্তব্য দেন তিনি।

মেয়র বলেন, “আমি আজ সরকারে আছি দেখে ইতিহাস পাল্টে ফেলব, এটা হতে পারে না। ইতিহাস ইতিহাসের গতিতেই চলবে এবং তা ইতিহাসবিদরাই লিখবেন।”

পদক প্রদান প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিতে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কারও রাজনৈতিক পরিচয় নয়, অবদানই ছিল মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।

শাহাদাত হোসেন বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কেউ সাহিত্য রচনা করলেই তাকে বাদ দেওয়া যায় না; বরং তাঁর সাহিত্যিক অবদান বিবেচনায় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একইভাবে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানও অস্বীকার করা যাবে না।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সেক্টরে যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে প্রত্যেককে তাঁদের যথাযথ স্থানে সম্মান জানাতে হবে।

মেয়র আরো বলেন, “যার যার জায়গায় সম্মান দিতে হবে—শেখ মুজিবুর রহমান, সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী—সবাইকে তাঁদের অবদানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে।”

তিনি অভিযোগ করেন, প্রপাগান্ডার মাধ্যমে ইতিহাস আড়াল করার চেষ্টা করা উচিত নয়। বরং সত্য ইতিহাস তুলে ধরাই দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননার জন্য আটজন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়। এর মধ্যে স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদানের জন্য প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমানকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, চিকিৎসা, সাংবাদিকতা, ক্রীড়া, সমাজসেবা, স্বাস্থ্যসেবা ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

অন্যদিকে সাহিত্য ক্ষেত্রে গীতিকবিতা, শিশু সাহিত্য, প্রবন্ধ-গবেষণা, কবিতা ও কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য পাঁচজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
সানা/আপ্র/১৯/৪/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
২৯ জুলাই ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

বিশাল রহমান, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়...

চট্টগ্রামে ৯০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ একজন গ্রেফতার
২৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে ৯০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ একজন গ্রেফতার

একেএম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম মহানগরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিম...

দিনাজপুর পৌর উন্নয়নে নাগরিক ভাবনা নিয়ে সমাবেশ
২৯ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুর পৌর উন্নয়নে নাগরিক ভাবনা নিয়ে সমাবেশ

দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক সেবা আরো জনবান্ধব করা এবং শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে করণীয়...

খালে ইয়াবা ফেলেও রক্ষা পেলেন না দুই মাদক কারবারি
২৯ জুলাই ২০২৬

খালে ইয়াবা ফেলেও রক্ষা পেলেন না দুই মাদক কারবারি

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে খালের পানিতে ইয়াবার প্যাকে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে