গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে চসিকের পরিস্কার অভিযান জোরদার

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ২১:২৪ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৪৪ এএম ২০২৬
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে চসিকের পরিস্কার অভিযান জোরদার
ছবি

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিস্কার কার্যক্রম আরো জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন -ছবি আজকের প্রত্যাশা

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিস্কার কার্যক্রম আরো জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচালিত “ক্রাশ কর্মসূচি”-তে সরেজমিন উপস্থিত থেকে কার্যক্রম তদারকি করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সকালে তিনি ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের জে এম সেন স্কুলের পেছনে অবস্থিত বান্ডেল খাল এলাকায় পরিস্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বদর খালি খাল (ইসলাম কলোনী) এবং ৩৫ নম্বর বক্সিরহাট ওয়ার্ডের দক্ষিণ মধ্যম পীতম্বরশাহ এলাকায় নালা-নর্দমা পরিস্কার কার্যক্রমে অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে নালা-নর্দমা ময়লার স্তুপে পরিণত হয়েছে, যা জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। তিনি বলেন, কিছু অসচেতন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে নালাকে বর্জ্য ফেলার স্থানে পরিণত করেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে কোনো উদ্যোগই সফল হবে না।

তিনি আরো বলেন, জনগণকে সচেতন না করতে পারলে এই কর্মসূচি শতভাগ সফল হবে না। “এই শহর আমাদের সবার-এ শহরের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। নিজ নিজ দোকান ও বাসায় ডাস্টবিন ব্যবহার করতে হবে এবং নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে হবে।”

ডাস্টবিন চুরির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

মেয়র জানান, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য আধুনিক আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০৯ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ২০২৩ সালের হালনাগাদ গণপূর্ত রেট সিডিউল ও নতুন নকশাকে উল্লেখ করা হয়।

তিনি আরো জানান, জায়গার সংকটের কারণে ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বান্ডেল কলোনির একটি ভবন ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে চসিকের নিজস্ব জমিতে নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে মোট ১০৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন প্রায় ৬০০ বর্গফুট। এতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত আবাসনে বসবাসের সুযোগ পাবেন।

মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নগরীর নীরব যোদ্ধা। তাদের জীবনমান উন্নয়ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম অগ্রাধিকার।

পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোঃ শরফুল ইসলাম মাহি, মেয়রের একান্ত সহকারী (রাজনৈতিক) জিয়াউর রহমান জিয়া, একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
সানা/আপ্র/২৭/৪/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

চুল কাটতে বের হওয়া রায়হান ফিরলো এক পা ও কিডনি হারিয়ে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুল কাটতে বের হওয়া রায়হান ফিরলো এক পা ও কিডনি হারিয়ে

মাত্র ১০০ টাকা নিয়ে চুল কাটতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১২ বছরের শিশু মোহাম্মদ রায়হান। সাত মাস পর যখন বাড়...

অদ্ভুত দেশ আমাদের! ‘অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর’
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অদ্ভুত দেশ আমাদের! ‘অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর’

ভোলার মতবিনিময় সভায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

চট্টগ্রামে প্রতি শনিবার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে প্রতি শনিবার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

একেএম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম ব্যুরো: ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়াসহ মৌসুমি রোগের প্রকোপ ঠেকাতে চট্ট...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই