গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে হত্যা

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ১১:০২ পিএম, ১৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৫ এএম ২০২৬
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে হত্যা
ছবি

নিহত এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া -ছবি সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পরিবারের পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুও আহত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। আহত শিশুটি তাদের ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৫)। সুজন বড়ুয়া চট্টগ্রাম নগরের খাতুনগঞ্জ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। হামলায় আহত হয় পিয়াসও।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে ঘরের দরজার সামনে এনি বড়ুয়া ও তার ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ঘরের ভেতরে পাওয়া যায় প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত দেহ। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে এনি বড়ুয়ার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

আহত পিয়াসকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার অবস্থা গুরুতর নয়।

নিহতের স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ঘটনার সময় তিনি কর্মস্থলে ছিলেন। রাতে স্বজনদের ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে স্ত্রী ও মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, এক প্রতিবেশীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ ছিল এবং ওই ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। এছাড়া মৃত্যুর আগে তার স্ত্রী ওই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

চট্টগ্রাম জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এক নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে নিহতের পরিবারের বিরোধের তথ্য পাওয়া গেছে। সেই বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে স্বজনদের সন্দেহ।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মা-মেয়ের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সানা/আপ্র/১৪/৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
২৯ জুলাই ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

বিশাল রহমান, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়...

চট্টগ্রামে ৯০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ একজন গ্রেফতার
২৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে ৯০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ একজন গ্রেফতার

একেএম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম মহানগরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিম...

দিনাজপুর পৌর উন্নয়নে নাগরিক ভাবনা নিয়ে সমাবেশ
২৯ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুর পৌর উন্নয়নে নাগরিক ভাবনা নিয়ে সমাবেশ

দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক সেবা আরো জনবান্ধব করা এবং শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে করণীয়...

খালে ইয়াবা ফেলেও রক্ষা পেলেন না দুই মাদক কারবারি
২৯ জুলাই ২০২৬

খালে ইয়াবা ফেলেও রক্ষা পেলেন না দুই মাদক কারবারি

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে খালের পানিতে ইয়াবার প্যাকে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে