গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

স্বামীর বসতবাড়ি থেকে আইনজীবী স্ত্রীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ সৎ ছেলের বিরুদ্ধে

জেলা প্রতিনিধি, বগুড়া

জেলা প্রতিনিধি, বগুড়া

প্রকাশিত: ১৯:১৯ পিএম, ০৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৮:১১ এএম ২০২৬
স্বামীর বসতবাড়ি থেকে আইনজীবী স্ত্রীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ সৎ ছেলের বিরুদ্ধে
ছবি

প্রতিনিধিত্বকারী ছবি

আজাদুর রহমান: নাটোরের সিংড়ায় দোকান ভাড়া, কৃষিজমির ধানের মূল্য ও পুকুরের লিজের অর্থ অবৈধভাবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে এক পক্ষের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে স্বামীর বসতবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া, ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর নেওয়া এবং নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাটের অভিযোগ করেছেন এক আইনজীবী।

অ্যাডভোকেট সারাবান তোহুরা সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর দেওয়া লিখিত আবেদনে দাবি করেন, তার স্বামী মরহুম অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান (মুন্টু) জীবদ্দশায় একাধিক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে কয়েকটি দোকান ও অন্যান্য সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে সৎ ছেলে ও কয়েকজন আত্মীয় তাকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় তিনি ২১ আগস্ট সিংড়া আমলি আদালতে সৎ ছেলে আমিরুল মোমেনিন নিশানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তার বসতবাড়িতে হামলা, মারধর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে জোরপূর্বক ব্যাংকের ফাঁকা চেক, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর করানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়। পাশাপাশি নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ আছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এরপর থেকে তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে বগুড়ায় তার মায়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন। এই সুযোগে অভিযুক্তরা তার মালিকানাধীন দোকানের ভাড়া, কৃষিজমির ধানের মূল্য ও পুকুরের লিজের অর্থ উত্তোলন করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। তিনি এসব অর্থ আদায়, ভবিষ্যতে অবৈধভাবে অর্থ উত্তোলন বন্ধ এবং জবরদখল প্রতিরোধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যদিকে, জোরপূর্বক দলিলে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযোগকারীকে মারধর ও নির্যাতন করে জমিজমার কাগজপত্র ও ব্যাংকের চেক নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয় এবং কৌশলে তাকে বসতবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন ও কল ডিটেইলস বিশ্লেষণে কয়েকজন বিবাদীর ঘটনাস্থলে উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যদিও কয়েকজনের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযুক্তিগত প্রমাণ মেলেনি। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

এ বিষয়ে মামলার প্রধান বিবাদী আমিরুল মোমেনিন নিশান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা তাকে হামলা বা মারধর করিনি। বরং তিনি আমাদের বাড়ি থেকে দলিলপত্র নিয়ে চলে গেছেন।”
সানা/আপ্র/৫/৭/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
২৯ জুলাই ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

বিশাল রহমান, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়...

চট্টগ্রামে ৯০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ একজন গ্রেফতার
২৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে ৯০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ একজন গ্রেফতার

একেএম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম মহানগরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিম...

দিনাজপুর পৌর উন্নয়নে নাগরিক ভাবনা নিয়ে সমাবেশ
২৯ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুর পৌর উন্নয়নে নাগরিক ভাবনা নিয়ে সমাবেশ

দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক সেবা আরো জনবান্ধব করা এবং শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে করণীয়...

খালে ইয়াবা ফেলেও রক্ষা পেলেন না দুই মাদক কারবারি
২৯ জুলাই ২০২৬

খালে ইয়াবা ফেলেও রক্ষা পেলেন না দুই মাদক কারবারি

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে খালের পানিতে ইয়াবার প্যাকে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 21 ঘন্টা আগে